বারাসতে কালীপুজোর খ্যাতি রাজ্য জুড়ে। বারাসত লাগোয়া মধ্যমগ্রামেও বড় বাজেটের সব কালীপুজো হয়। এই দুই শহরের কালীপুজোর ক’টা দিন লক্ষ লক্ষ দর্শনার্থীর ঢল নামে। ১২ নম্বর জাতীয় সড়ক, যশোহর এবং টাকি রোড কার্যত জনজোয়ারে ভেসে যায়। ৩১ অক্টোবর থেকে শুরু হচ্ছে কালীপুজো। চলবে ৩ নভেম্বর পর্যন্ত।
পুজোর এই চার দিন ভিড় সামাল দিতে ১২ নম্বর জাতীয় সড়ক, যশোহর রোড, টাকি রোড এবং বারাসত-ব্যারাকপুর রোডের বেশ কয়েকটি জায়গায় নো এন্ট্রি করে দেওয়া হবে। প্রতিবারের মতো বারাসতের ডাকবাংলো মোড় থেকে ১২ নম্বর জাতীয় সড়কের ময়না চেকপোস্ট পর্যন্ত বিকেল থেকেই সমস্ত ধরনের গাড়ি চলাচল বন্ধ থাকবে। একই ভাবে টাকি রোডের পূর্ব বারাসত স্কুল থেকে চাঁপাডালি পর্যন্ত এবং যশোহর রোডের কাজিপাড়া থেকে চাঁপাডালি পর্যন্ত শহরমুখী কোনও গাড়িকে আসতে দেবে না পুলিশ।
পুলিশ সুপার প্রতীক্ষা ঝাড়খড়িয়া বলেন, ‘কলকাতার দুর্গাপুজোয় যে ভাবে ট্র্যাফিক এবং ক্রাউড ম্যানেজমেন্ট হয়ে থাকে সে ভাবেই বারাসত এবং মধ্যমগ্রামেও করা হবে।’ ৩০ অক্টোবরের আগে কালীপুজোর উদ্বোধন যেন না হয়, সে ব্যাপারে পুজো কমিটিগুলিকে সতর্ক করা হয়েছে। কারণ তার আগে উদ্বোধন হলে পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন পুলিশ কর্তারা।
ট্র্যাফিক নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি এই সমন্বয় বৈঠকে মণ্ডপ এবং প্রতিমার উচ্চতা নিয়ে হাইকোর্টের গাইড লাইনের কথা স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়। বলা হয়েছে পুজো প্যান্ডেলের এন্ট্রি গেটের থেকে এগজ়িট গেট চওড়া করতে হবে। পাশাপাশি ডিজে বক্স বাজানো নিষিদ্ধ বলে জানিয়ে দিয়েছে পুলিশ।