জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: আচমকাই বিশ্বফুটবলে শোকের ছায়া। প্রয়াত কিংবদন্তি লুইস গালভান (Luis Galvan)। ১৯৭৮ সালে নেদারল্যান্ডসকে হারিয়ে প্রথমবার বিশ্বকাপ জিতেছিল আর্জেন্টিনা (Argentina)। সেই দলের অন্যতম তারকা ছিলেন ডিফেন্ডার গালভান। নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে বেশ কয়েক সপ্তাহ ধরেই হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন তিনি। জীবনের ময়দানে লড়াই করছিলেন গালভান। তবে রক্ষণের অতন্দ্র প্রহরী শেষপর্যন্ত আর মৃত্যুকে রুখতে পারলেন না। ৭৭ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন তিনি।
আরও পড়ুন: ‘পাক্কা বোকা…’! আটারির ওপার থেকে গাভাসকরকে পালটা, জোট বাঁধলেন মিয়াঁদাদ-সহ তিন
আটাত্তরে প্রথমবার ভুবনজয়ের স্বাদ পেয়েছিল নীল-সাদা দেশ। বিশ্বকাপজয়ী নায়কদের মধ্যে থেকেও গালভান ছিলেন স্পটলাইটের বাইরেও। একজন ‘নীরব নায়ক’ হিসেবেই তাঁর পরিচিতি। গালভান কখনও মিডিয়ার লাইমলাইটে আসেননি বা বিরাট খ্যাতি অর্জন করেননি। তবুও, তাঁর পারফরম্যান্স, বিশেষ করে সেই ফাইনালে অসাধারণ ছিল। পরের দিন সংবাদপত্রের শিরোনামে সংক্ষেপে তাঁর প্রশংসায় লেখা হয়েছিল ‘লুইস গালভান ১০।’ আর্জেন্টিনার ফুটবলপ্রেমীদের কাছে গালভান নিছকই ডিফেন্ডার ছিলেন না, ছিলেন ইতিহাসের শরিক। চিরকাল স্মৃতির পাতায় থাকবেন গালভান।
পেশাদার কেরিয়ারের প্রায় অধিকাংশ সময় গালভান (১৯৭০-১৯৮৭) তাঁর দেশেরই বিভিন্ন ক্লাবে খেলেছেন। কেরিয়ারের শেষ দিকে যদিও খেলেছিলেন বলিভিয়ার এক ক্লাবে। গালভানের আন্তর্জাতিক অভিষেক হয়েছিল ১৯৭৫ সালে। এরপর ১৯৭৮ সালে আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ জয়ী দলের অপরিহার্য ফুটবলার ছিলেন তিনি। প্রতি ম্যাচেই খেলেছিলেন। দলের অধিনায়ক দানিয়েল পাসারেলার সঙ্গে রক্ষণে গড়ে তুলেছিলেন অসাধারণ জুটি। তাঁরাই ছিলেন আর্জেন্টিনার কাপ জয়ের দুই কারিগর। ১৯৮২ বিশ্বকাপে গালভান খেলেছিলেন বটে, তবে সেই বছর খুব একটা ভালো করতে পারেনি লা আলবিসেলেস্তে। ১৯৮৩ সালে আন্তর্জাতিক ফুটবলকে আলবিদা বলেছিলেন গালভান। এরপর পেশাদার ফুটবল থেকে বুট জোড়া তুলে নেন ১৯৮৭ সালে।
আরও পড়ুন: ‘আইপিএল জালিয়াত-প্রতারকদের দল’, পন্থের নেতৃত্বে ১১ জনের তালিকায় মহারথীদের ছড়াছড়ি!
(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, লাইফস্টাইল স্বাস্থ্য, প্রযুক্তির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের App, Facebook, Whatsapp Channel, X (Twitter), Youtube, Instagram পেজ-চ্যানেল)
