‘সহ্যের একটা সীমা আছে’, মুখ্যমন্ত্রীর হুঁশিয়ারিতে ‘মানবিক’ কমিশন! শুনানিতে ছাড়… Election Commission provide relief to elderly voters During SIR Hearing


জি ২৪ ঘন্টা ডিজিটাল ব্যুরো: ‘সহ্যের একটা সীমা আছে’। রাজ্য়বাসীকে হেনস্থার ফের নির্বাচন কমিশনকে নিশানা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বললেন, ‘অনেক সহ্য করেছি। সহ্য করছি। ধৈর্য্য ধরছি। মনে রাখবেন সহ্যেরও একটা সীমা থাকে’।

Add Zee News as a Preferred Source

আরও পড়ুন:  Durga Angan: ১০৮ দেব-দেবীর মূর্তি, ১০০৮ স্তম্ভ, ২ লক্ষ বর্গফুট এলাকায় দিনে ১ লক্ষ দর্শনার্থী! নিউটাউনে দুর্গা অঙ্গনের মেগাপ্রকল্প মুখ্যমন্ত্রীর…

নজরে ছাব্বিশ। বাংলায় SIR। খসড়া তালিকায় প্রকাশের পর এবার শুরু হয়েছে শুনানি। আর সেই শুনানিকে কেন্দ্র করে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে চরম বিশৃঙ্খলা। সাধারণ মানুষের ভোগান্তি চরমে। পরিস্থিতি এমনই যে,দক্ষিণ ২৪ পরগনার শিরাকোলে  SIR-র শুনানি পরিদর্শনে গিয়ে তুমুল বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয় কমিশনের রোল অবজার্ভার সি মুরুগানকে।

এদিকে হিয়ারিং শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখার দায়িত্ব যে রাজ্য় সরকারেরই, তা স্পষ্ট জানিয়েছে কমিশনও। কমিশন সূত্রে খবর, আগামীকাল মঙ্গলবার থেকে কোনও জায়গায় যদি হিয়ারিং-কে কেন্দ্র করে গন্ডগোল হয়, তাহলে প্রয়োজনে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে চাইতে হবে রাজ্য়কেই। 

গত শনিবার থেকে চলছে SIR-র হিয়ারিং। প্রথম দফায় ডাকা হচ্ছে মূলত ‘ম্যাপিং’য়ের বাইরে থাকা ভোটারদের। কিন্তু এই প্রক্রিয়াতেও অব্যবস্থার অভিযোগ ওঠেছে। বয়স্ক ও অসুস্থ মানুষদের লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে হচ্ছে। এমনকী, অ্যাম্বুল্যান্সে চেপে হিয়ারিংয়ে যেতে দেখা গিয়েছে ভোটারদের।

কমিশনের স্পষ্ট নির্দেশ, SIR শুনানিতে  বয়স্ক ও অসুস্থ ভোটারদের  হাজির হতে বাধ্য করা যাবে না। নির্দেশিকায় উল্লেখ, ৮৫ বছর বা তার বেশি বয়সি ভোটার, গুরুতর অসুস্থ ব্যক্তি এবং প্রতিবন্ধী ভোটারদের ক্ষেত্রে বিশেষ মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করতে হবে। বলা হয়েছে, এই শ্রেণির ভোটাররা নিজেরা বা তাঁদের হয়ে কেউ অনুরোধ জানালে তাঁদের শুনানির জন্য ডাকা হবে না। ইতিমধ্যেই যদি কোনও নোটিস জারি হয়ে থাকে, সে ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ভোটারের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করে শুনানিতে না আসার অনুরোধ জানানো যেতে পারে। যাচাই প্রক্রিয়া প্রয়োজনে তাঁদের নিজ নিজ বাসভবনেই সম্পন্ন করা হবে।

ইআরও, এয়ারও এবং বিএলওদের উদ্দেশে পাঠানো এই নির্দেশিকায় আরও বলা হয়েছে, সংশোধনী প্রক্রিয়া চলাকালীন যেন কোনও ভাবেই বয়স্ক বা শারীরিকভাবে অক্ষম ভোটারদের অযথা হয়রানির শিকার হতে না হয়। ভোটারদের অধিকার রক্ষা ও মানবিক আচরণ নিশ্চিত করতেই এই ব্যবস্থা বলে জানানো হয়েছে। নির্বাচন দপ্তরের এক আধিকারিক জানান, বিশেষ নিবিড় সংশোধনী প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখার পাশাপাশি ভোটারদের সম্মান ও স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করাও কমিশনের অন্যতম লক্ষ্য। সেই কারণেই প্রবীণ, অসুস্থ ও প্রতিবন্ধী ভোটারদের ক্ষেত্রে এই ছাড়ের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

আরও পড়ুনL





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *