ছাব্বিশে ‘ডামাডোল’! দক্ষিণ দমদম পুরসভার দুই কাউন্সিলরের ইস্তফা, ৭ দিন পর… Resignation letter by two councillor finally accepted by Chairperson of South Dumdum Municipality


সৌমেন ভট্টাচার্য: মন্ত্রী ব্রাত্য বসুর ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত দু’জনেই। বছরশেষে পদত্যাগ করেছিলেন দক্ষিণ দমদম পুরসভার দুই তৃণমূল কাউন্সিলর।  ৭ দিন পর, অবশেষে সেই পদত্যাগপত্র গ্রহণ করলেন চেয়ারপার্সন কস্তুরী চৌধুরী। বললেন, ‘পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, আমরা দেখে নেব’।

Add Zee News as a Preferred Source

আরও পড়ুন:  SSC Big Update: এসএসসি বিগ আপডেট! এই মাসের শেষেই ইলেভেন-টুয়েলভের…

দক্ষিণ দমদম পুরসভার ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর দেবাশিষ বন্দ্যোপাধ্যায় আর ৩ নম্বর ওয়ার্ডে কাউন্সিলর গোপা পাণ্ডে। শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে কাউন্সিলর পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন তাঁরা। চেয়ারপার্সন কস্তুরী চৌধুরী বলেন, ‘গত ৩১ ডিসেম্বর ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর দেবাশীষ বন্দ্যোপাধ্যায়  ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডে কাউন্সিলর গোপা পান্ডে  আমাকে ও ব্য়ারাকপুরের মহকুমাশাসকে শারীরিক অসুস্থতার কারণে পদত্যাগপত্র দিয়েছেন। পরবর্তীতে মহকুমাশাসক আমাকে সেই চিঠি পাঠিয়ে দেন।  আমি পুরসভার চেয়ারম্যান হিসেবে পদত্য়াগপত্র গ্রহণ করে নিলাম। পরবর্তী সময়ে কী পদক্ষেপ ,আমরা দেখে নেব’।

এদিকে ইস্তফাপত্র গৃহীত হওয়া পর, পুর প্রশাসনের বিরুদ্ধে কার্যত ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন দেবাশিষ। তিনি বলেন, ‘দক্ষিণ দমদম পুরসভার অবস্থা সত্যিই খারাপ। আমরা তো অন্যন্য কাউন্সিলর মিটিং করে দেখেছি, জলের চেয়ারম্যান ইন কাউন্সিল দু’টো। দমদম শুধু বেশি ভোটে জেতে বলে,  দমদমকে আঘাত করার জন্য দুটো র চেয়ারম্যান ইন কাউন্সিল। একজন সরু পাইপ দেখবে, একজন মোটা পাইপ দেখবে। পশ্চিমবঙ্গের কোথাও আছে! এটা উন্নয়ন? একজন ভাইস চেয়ারম্যানকে দফতর দেওয়া হচ্ছেস কী দফতর? কনজারভেন্সি। আমার কিন্তু ড্রেন ছিল না। ড্রেনের জল, ময়লা কনজারভেন্সির দায়িত্ব থাকে। স্যানিটারি ইন্সপেক্টর আছে, কিন্তু ইঞ্জিনিয়ার নেই। কিন্তু দেখবেন, দমদমকে খাটো করার জন্য় ড্রেনের রক্ষণাবেক্ষণ দায়িত্ব PWD-কে না দিয়ে ভাইস চেয়ারম্যানকে দেওয়া আছে। যার দফতরে কোনও ইঞ্জিনিয়ারই নেই। এই তো অবস্থা’!

দেবাশিষের সাফ কথা, ‘গৃহীত হবে জেনেই ইস্তফাপত্র দিয়েছি।  এমনও তো নয়, পুরসভার কোনও কেয়ারটেকারকে দিয়েছি রাস্তায় দিয়ে কেউ যাচ্ছিল, তার হাতে দিয়েছি। আমি নির্দিষ্ট জায়গায় পদ্ধতি মেনে শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে ইস্তফা দিয়েছি। বার চেয়ারপার্সন এতদিন পরে গ্রহণ করলেন, কেন? কী বিষয়? আমার তেমন কিছু বলার নেই। আমি যতদুর জানি এটা বোর্ড মিটিং ডেকে সিদ্ধান্ত নিতে হয়। হয়তো ওনার ক্ষমতা অনেক বেশি, নিয়েও নিতে পারে। আমি তো ওনাকে অ্যাড্রেস করেই দিয়েছি। বিস্তারিত ব্যাপার দলের কাছে বলেছি’।

আরও পড়ুন:   SSC Case Update: বছর শুরুতেই মাথায় হাত! এসএসসির দাগি প্রার্থীদের সব আবেদন খারিজ হাইকোর্টের… আঁধারে ডুবল ভবিষ্যত্‍…

(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, লাইফস্টাইল স্বাস্থ্য, প্রযুক্তির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের AppFacebookWhatsapp ChannelX (Twitter)YoutubeInstagram পেজ-চ্যানেল)





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *