Dev SIR Hearing: ‘এই দল করলে ওই দল হ্যারাস করবে, ওই দল করলে এই দল হ্যারাস করবে! এটাই নিউ নরম্যাল…’


জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: SIR তলবে শুনানিকেন্দ্রে  অভিনেতা-তৃণমূল সাংসদ দেব। নথি হাতে শুনানিকেন্দ্রে হাজির হন টলিউডের মেগাস্টার। আনোয়ার শাহ রোডে কাটজুনগরে যান তিনি। ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় বাবা মায়ের নাম নেই। সাউথ সিটি আবাসনের বাসিন্দা দীপক (দেব) অধিকারীকে শুনানিতে তলব কমিশনের। দেখা করে দিয়ে এলেন প্রয়োজনীয় কাগজপত্র। শুনানিকেন্দ্র থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন দেব। প্রথমেই তিনি বলেন, ‘এটাই এখন নতুন নর্মাল। আমি একজন রেসপন্সিবল সিটিজেন হিসাবে আইনকে ফলো করেছি। নিজেকে প্রমাণ করার জন্য, এই রাজ্য নাগরিক হওয়ার জন্য যা যা নথি দরকার, সব জমা করেছি। আমার শুধু এটাই বলার আছে, ইতোমধ্যেই আমার কাছে অনেক ফোন এসেছে। SIR শুনানিতে ডাকা হয়েছে আমাকে, এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই আমার কাছে অনেক ফোন আসে। যেমন প্রজাপতি ২-তে যিনি আমার মা হয়েছিলেন। তিনি আমাকে জানান, ফর্ম ফিলাপ করতে এসে তিনি ৩ ঘণ্টা ধরে হয়রানি শিকার হয়েছেন। তাঁরা একা থাকেন, সিনিয়র সিটিজেন।’

Add Zee News as a Preferred Source

আরও পড়ুন:Missing Mother-Daughter: কোলে মেয়েকে নিয়ে বাজারে করতে বেরিয়ে বেপাত্তা! তারপর কী হল রেখার? ৩ দিন ধরে কোথায় তিনি?

দেব আরও বলেন, ‘আমাদের দেশের সবচেয়ে বড় উত্‍সব হল নির্বাচন। পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ডেমোক্রেটিক দেশ হচ্ছে ভারত। এর আগে ভারতে লাইন লেগেছিল, যখন নোটবন্দি হয়েছিল। তখন আমি সেটাকে সাপোর্ট করেছিলাম। কারণ আমার মনে হয়েছিল, কালো টাকা অন্য কোথাও চলে যাচ্ছে। এটার ভালো জন্য হচ্ছে, তাই সমর্থন করেছিলাম। কিন্তু এখন যেটা হচ্ছে, বিশেষ করে বয়স্ক-অসুস্থদের নাগরিকদের রিলিফ দেওয়া দরকার। কারণ অনেকেই একা থাকেন, শরীর খারাপ, আসতে পারছেন না। নোটবন্দির সময় আমি এত কথা বলতে পারিনি। কারণ সেই সময় আমাদের দেশ ইকোমনিক্যালি এত বড় ছিল না। দেব একজন সাংসদ হিসাবে নয়, মানবিকতার খাতিরে নির্বাচন কমিশনের কাছে অনুরোধ করছি যে, আমাদের মত যুব সম্প্রদায়ের কোনও আপত্তি নেই। কিন্তু সিনিয়র সিটিজন, যাঁরা একা থাকেন, হাঁটতে পারেন না, হারিয়ে যাওয়ার ভয়ে আসতে পারছেন না- তাদের বাড়িতে অন্তত প্রতিনিধি দল পাঠানো হোক। তাঁরা যেন বাড়িতে বসে নিজেদের নাগরিকত্বের প্রমাণের ফর্ম ফিলাপ করতে পারে।’

অভিনেতা-সাংসদ বলেন, ‘এই নির্বাচনটা হচ্ছে দেশকে এক করার, ভাগ করার জন্য নয়। সমস্ত দলের নেতারা যেন মানুষকে এক থাকার বার্তা দিক। এমন কিছু যাতে না হয় যে আমাদের রাজ্য নাম খারাপ হোক। কারণ রাজ্যের নাম খারাপ মানেই দেশ নাম খারাপ। নির্বাচন আসছে, সমস্ত দল যেন তাদের প্রতিনিধিদের জনসাধারণকে একতার বার্তা দেয়।’

হয়রানি হওয়ার প্রসঙ্গে দেব স্পষ্ট বলেন, ‘সাংসদ বা রাজনীতিবিদদের নিজেদের জীবন থেকে হ্যারাস শব্দটি সরিয়ে ফেলা উচিত। কারণ এই দল করলে ওই দল হ্যারাস করবে। এগুলি খুবই সাধারণ হয়ে গিয়েছে। রাজনীতিতে আসার পর আমি খুব একটা সাধারণ জীবনযাপন করি না। মাঝে মাঝে এমন জিনিস ঘটে, যা অকল্পনীয়।’

আরও পড়ুন:Taunted over dark skin: ‘এত কালো মেয়ে, ডাক্তার হলে মানাবে না!’, মেডিক্যাল কলেজের প্রফেসরদের কর্দয আক্রমণে চলেই গেলেন মেধাবী যশস্বিনী…

দেব বলেন, ‘এই SIR যখন হওয়ারই ছিল, তাহলে সেটা এক বছর আগে হয়নি কেন? নির্বাচনের এক-দুমাস আগে কেন হবে। সবাই জানে বাংলায় এপ্রিল-মে মাসে নির্বাচন। সাংসদ দূরের কথা, নাগরিক হয়ে আমার প্রশ্ন SIR এক বছর শুরু হল না কেন। যাঁদের নিজেকে প্রমাণ করতে এক মাসের বেশি সময় লাগবে, তাহলে তাদের কী হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘নির্বাচনে যে দলই জিতুক। কিন্তু ভোটার যেন জীবিত অবস্থায় মৃত না হয়ে যায়। শহরে নাগরিক হিসাবে তাঁরা যেন ভোটের অধিকার পায়। নির্বাচন কমিশনের চক্করে যেন তাদের থেকে সেই অধিকার না চলে যায়।’ সবার শেষে দেবকে প্রশ্ন করা হয়, শুনানি কেন্দ্রে কী হল? তার উত্তরে অভিনেতা-সাংসদ বলেন, ‘ভিতরে অনেক গুলো ছবি তুললাম। অটোগ্রাফার দিলাম আর কিছু সই করলাম।’

(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, লাইফস্টাইল স্বাস্থ্য, প্রযুক্তির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের AppFacebookWhatsapp ChannelX (Twitter)YoutubeInstagram পেজ-চ্যানেল)





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *