জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: মেদিনীপুরের র্যাম্পেও জ্যান্ত’ ভূত! অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বললেন, ‘কমিশনের গায়ে জ্বালা হচ্ছে। অভিষেক নিজের সভায় কী করে এঁদের উপস্থিত করছে? আরও এক জনকে করতাম, তিনি গর্ভবতী। তাঁর আজ সন্তান হবে। শাহ,জ্ঞানেশ কুমারদের নির্দেশে জীবিতদের মৃত দেখাচ্ছে,যাতে তাঁরা ভোট দিতে না পারে। কারও ভোটাধিকার যেন কাড়া না হয়। দেখতে হবে। বিজেপির ক্ষমতা থাকলে হার্মাদগুলোকে বার করুক, যাঁদের নাম করলাম’।
ছাব্বিশের বিধানসভা ভোটের প্রচারে এবার মেদিনীপুরে। অভিষেক বলেন, ‘যে মা-মাটি-মানুষের সরকার বাংলায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, সেখানে অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছে এই জেলার মানুষ। গত বিধানসভা ভোটে ১৫টির মধ্যে ১৩টি আসনে জিতিয়ে জয়যুক্ত করেছিলেন। খড়্গপুর সদর আর ঘাটালে অল্প কিছুর ব্যবধানে আমাদের প্রার্থী পরাজিত হন। এ বার অঙ্গীকার নিতে হবে, ১২-৩ নয়। ১৫-০ তৃণমূলের পক্ষে করতে হবে। যে কটা হার্মাদ রয়েছে, সব ক’টাকে বিদায় দিতে হবে’।
অভিষেকের কথায়. ‘আজ বিজেপিতে কারা রয়েছে? শালবিতে দেবাশিস রায়, যে সুশান্ত ঘোষের অফিস দেখাশোনা করত। সে বিজেপির বুথ সভাপতি। কেশপুরে তন্ময় ঘোষ। সে সিপিএমের ব্লকের সভাপতি। এখন বিজেপির জেলা কমিটির মেম্বার। তন্ময় ঘোষের ভাই সুবীর ঘোষ, যে দাদাকে টপকে যায়। তড়িৎ খাটুয়া বেনাচাপড়া হত্যাকাণ্ডের অন্যতম অভিযুক্ত এখন বিজেপি নেতা। মহাদেব প্রামাণিক সিপিএমের প্রাক্তন যুব নেতা, বেনাচাপড়া খুনের অন্যতম অভিযুক্ত, এখন বিজেপির কার্যকর্তা। চন্দ্রকোণায় সুকান্ত দলুই, ঘাটালের বিধায়ক নিজেই রয়েছে, শীতল কপাট। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক সন্ত্রাস, হত্যার এফআইআর হয়েছে। মেদিনীপুরের সুকুর আলি, নাম মনে আছে? তার ছেলে হাসরাফ আলি, মেদিনীপুর শহরের নেতা। গড়বেতার তপন ঘোষ, সুশান্তের ডান হাত এখন বিজেপিকে মদত দেয়। মেদিনীপুরে এই হল বিজেপির চেহারা’।
অভিষেকে সাফ কথা, ‘মেদিনীপুরে যদি কোনও বুথে, কোনও বিধানসভায় বিজেপির কোনও নেতা লিড পায়, তা হলে এই সিপিএমের হার্মাদগুলিকে অক্সিজেন দেওয়া হবে। এটা মাথায় রাখতে হবে। যারা আমাদেরকে পরিবর্তন চাই বলে আমাদের সরকারকে ব্যাঙ্গ করছে, ৩৪ বছর মানুষকে অত্যাচার করেছে, আজ তারা বিজেপির নেতা! বোতল নতুন, মদ পুরনো। জার্সি পাল্টেছে। আগে সিপিএমের হার্মাদ ছিল, আজ বিজেপির জল্লাদ’।
অভিষেক বলেন, ‘বিজেপির লক্ষ্য বাংলার যোগ্য ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া। শেষ মুহূর্তে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার চক্রান্ত চলছে জানিয়ে দলের কর্মীদের উদ্দেশে তাঁর বার্তা, আগামী ১৬ থেকে ১৯ জানুয়ারি যদি কোনও বিজেপি নেতা ইআরও অফিসে ১০টার বেশি ফর্ম-৭ (নাম বাদ দেওয়ার ফর্ম) জমা দিতে আসে, তবে “ভদ্রভাবে শান্তিপূর্ণ মেজাজে রবীন্দ্রসঙ্গীতের সঙ্গে একটু ডিজে বাজিয়ে দেবেন। প্রয়োজন হলে এলাকার বিজেপির ছোট-বড় নেতার বাড়িও ঘেরাও করবেন’!
আরও পড়ুন: Nipah Virus: জ্বর আসার ৩ দিনের মাথাতেই মৃত্যু মহিলার! নিপায় প্রথম মৃত্যু রাজ্যে? চাঞ্চল্যকর আপডেট…
(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, লাইফস্টাইল স্বাস্থ্য, প্রযুক্তির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের App, Facebook, Whatsapp Channel, X (Twitter), Youtube, Instagram পেজ-চ্যানেল)
