মৃত্যুপুরীতে উল্লাস! আনন্দপুরে শুভেন্দুর মিছিল ডিজে বাজিয়ে নাচ বিজেপি কর্মীদের..BJP workers dance with DJ in Rally, called to Suvendu Adhikari to protest Anandapur Fire


জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্য়ুরো: আনন্দপুরে অগ্নিকাণ্ডে মৃত্যুমিছিল। হাইকোর্টের অনুমতিতে এবার প্রতিবাদ মিছিলে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।  আর সেই মিছিলে বাজাল ডিজে! বিতর্ক তুঙ্গে।

Add Zee News as a Preferred Source

আরও পড়ুন:  Anandapur Fire: মৃত বেড়ে ২৫! স্টিফেন কোর্টের পর একমাত্র আনন্দপুর, আগুনে পুড়ে খাক দেহাবশেষ চিনতে শেষ ভরসা DNA ম্যাপিং…

দেখতে পাঁচ দিন পার। আনন্দপুরে নাজিরাবাদে অগ্নিকাণ্ডের পর যত সময় গড়াচ্ছে, ততই বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। কারখানার ধ্বংসস্তুপের নিচ থেকে বেরিয়ে আসছে দেহ। এখনও পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ২৫। গতকাল, বৃহস্পতিবারও উদ্ধার হয় আরও চারজনের দেহ।  আজ, শুক্রবার আনন্দপুরের কাণ্ডে প্রতিবাদে মিছিল করলেন শুভেন্দু। হাইকোর্টের নির্দেশ মতোই নরেন্দ্রপুর থানা থেকে ২০০ মিটার দুরে শেষ হল মিছিল। মিছিল সভায় বক্তব্য রাখলেন বিরোধী দলনেতা। 

এদিকে মিছিল শুরু হতেই বেজে ওঠে ডিজে। ডিজের তালে তালে রীতিমতো নাচতে নাচতে মিছিল হাঁটতে গেল বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের। সোশ্যাল মিডিয়ার সেই ভিডিয়ো পোস্ট করে তৃণমূল লিখেছে, ‘গদির লোভে মত্ত বিজেপি মৃত্যুকেও রাজনীতির ময়দানে নামিয়ে, ডিজে বাজিয়ে উল্লাস প্রকাশ করছে। বিজেপির এই নিম্নরুচির মানসিকতা বাংলার মানুষ নিজের চোখে দেখছে। এর যোগ্য জবাব বাংলার মানুষ দেবেন’।

 আনন্দপুরকাণ্ডে গ্রেফতারি বেড়ে ৩। পুষ্পাঞ্জলি ডেকরেটর সংস্থার মালিক গঙ্গাধর দাসের পর এবার মোমো কোম্পানির দুই আধিকারিককে গ্রেফতার করল নরেন্দ্রপুর থানা। ধৃতরা হলেন কোম্পানির ম্যানেজার মনোরঞ্জন শিট এবং ডেপুটি ম্যানেজার রাজা চক্রবর্তী। 

ইতিমধ্যেই ১৬ জনের দেহ ডিএনএ  পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। নিখোঁজদের নিকটাত্মীয়দের থেকে এখনও পর্যন্ত ভ্যারিয়েবল ডিএনএ স্যাম্পলিং বা নমুনা সংগ্রহ হয়েছে ৩২টি। স্টেট ফরেনসিক প্যাথলজি সেগুলিকে ম্যাপিং করছে। কলকাতার বুকে অগ্নিকাণ্ডে মৃত্যুর ঘটনায় একমাত্র স্টিফেন কোর্টের পর আনন্দপুরেই প্রয়োজন পড়ল ডিএনএ ম্যাপিং-এর। ২৫ জনের মধ্যে এখনও পর্যন্ত মাত্র একটি প্রায় পূর্ণাঙ্গ দেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। তাকে প্রাথমিকভাবে শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে বলে পুলিস সূত্রে খবর। ওই ব্যক্তির শরীরের প্রায় ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ পুড়ে গেলেও, তাঁর পরনের পোশাক দেখে অনুমান করা হচ্ছে তিনি ওই মোমো প্রস্তুতকারক সংস্থার কর্মী। বয়স আনুমানিক ৪৫ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে। যদিও ওই ব্যক্তির পরিবার এখনও নিশ্চিতভাবে দেহটি শনাক্ত করেনি। তাই ওই দেহটিও ডিএনএ পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। 

কীভাবে হচ্ছে ডিএনএ ম্যাপিং?

১) যে সমস্ত নিকটাত্মীয় নিখোঁজ ডায়েরি লিখিয়েছেন তাঁদের রক্তের নমুনা এবং দেহরসের নমুনা (লালারস) সংগ্রহ করা হয়েছে। 

২) এখনও পর্যন্ত উদ্ধার হওয়া সকল দেহ/দেহাবশেষ থেকে করোটির দাঁত, হাড়ের ভিতর থাকা বোন ম্যারো (অস্থি মজ্জা) থেকে সংগৃহীত নমুনার সঙ্গে আত্নীয়দের নমুনা মাইক্রো স্ক্যানারে ম্যাপিং করা হবে। 

৩) উদ্ধারের প্রথমদিকে বিষয়টি সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা না থাকায় অনেকক্ষেত্রে প্যাকিং (বস্তাবন্দি করার) পদ্ধতিতে কিছু ভুলত্রুটি থেকে গিয়েছিল। কয়েকটি ক্ষেত্রে আলাদা করে বোঝার অসুবিধা থাকায় কাছাকাছি থাকা দুটি দেহাবশেষ বা হাড়গোড় একসঙ্গে প্যাক করা হয়েছে বলে স্টেট ফরেনসিক ল্যাব সূত্রে খবর। সেগুলির ক্ষেত্রে ডিএনএ ম্যাপিং বেশ কিছুটা সময় সাপেক্ষ। 

৪) ম্যাপিংয়ে নির্ভুল বৈজ্ঞানিক পন্থা অবলম্বন করা হচ্ছে। স্টিফেন কোর্ট অগ্নিকাণ্ডে মোট মৃত (৪৩)-এর থেকে বেশি ক্লেইম করা হয়েছিল। এবার তাই অতিরিক্ত সতর্কতা এবং সাবধানতা অবলম্বন করে হাতে সময় নিয়ে ম্যাপিংয়ের কাজ এগোচ্ছে। 

৫) কলকাতার বুকে অগ্নিকাণ্ডে মৃত্যুর ঘটনায় একমাত্র স্টিফেন কোর্টে ডিএনএ ম্যাপিংয়ের প্রয়োজন পড়েছিল। তারপর আবার আনন্দপুরে ডিএনএ ম্যাপিং-এর প্রয়োজন পড়ল। ঢাকুরিয়া আমরিতে ৯১ জনের মৃত্যু হলেও কোনও দেহ এইভাবে সম্পূর্ণ ঝলসে যাওয়ার ঘটনা ঘটেনি। 

৬) বড়বাজার মেছুয়া পট্টির হোটেলের ক্ষেত্রেও দেহ এইভাবে ঝলসে খন্ড-বিখন্ড হয়ে যায়নি। কারণ ওই দুটি ক্ষেত্রেই মৃত্যুর কারণ ছিল বিষাক্ত কার্বন যুক্ত ধোঁয়া। কিন্তু স্টিফেন কোর্ট এবং আনন্দপুর অগ্নিকাণ্ডে সরাসরি আগুনে দেহ পুড়ে খাক হয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

আরও পড়ুন:  Buddhadeb Bhattacharya: ‘বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য ২৪ বছর বিধায়ক ছিলেন, ১১ বছরেরও বেশি মুখ্যমন্ত্রী… এলাকায় একটুতেই জল জমে যেত, লোডশেডিং হত…’

(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, লাইফস্টাইল স্বাস্থ্য, প্রযুক্তির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের AppFacebookWhatsapp ChannelX (Twitter)YoutubeInstagram পেজ-চ্যানেল)





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *