অয়ন ঘোষাল: মারাত্মক অভিযোগ করেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। বিধানসভায় বিরোধী দলনেতার দাবি ছিল,মুর্শিদাবাদে বাবরি মসজিদ তৈরির অনন্ত ৫০ শতাংশ টাকা হুমায়ূন কবীর এনেছেন বাংলাদেশ থেকে। কিছুদিন আগেই হমায়ূন গিয়েছিলেন বাংলাদেশে। সেখানেই সব ব্যবস্থা করে এসেছেন। শুভেন্দুর সেই দাবির কড়া জবাব দিলেন জনতা উন্নয়ন পার্টির নেতা হুমায়ূন কবীর।
সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে হুমায়ূন বলেন, শুভেন্দু অধিকারী বিরোধী দলনেতা। উনি যে এত নির্বোধ বা অনভিজ্ঞ তা জানতাম না। মমতা ব্যানার্জির যখন ভাইপোকে নিয়ে আসলেন তখন উনি দেখলেন এখানে থেকে হবে না। তাই ভারতীয় জনতা পার্টির ছত্রছায়ায় ঢুকলেন। আমি বলব আপনার সব থেকে কাছের লোক হোম মিনিস্টার অমিত শাহ জি। প্রধানমন্ত্রী সাথে দেখা বলেন কথা বলেন। হুমায়ূন কবীর বর্ডারে গিয়েছে কাঁটা তার টপকে নয়। ২৮ সেপ্টেম্বর হুমায়ূন কবীর অবৈধ ভাবে যায়নি। ঢাকায় আমার ভাগ্নার বাড়ি গিয়েছি। দু’দিন তাদের বাড়িতে থেকেছি। কক্সবাজার গেছি পরের দিন আবার ফ্লাইট ধরে। ৩ দিন সেখানে থাকার পর, চট্টগ্রাম হয়ে ঢাকা ফিরেছি।
হুমায়ূন আরও বলেন, জ্যোতিবাবুর জন্মস্থান প্রাক্তন ভিটে নারায়ণগঞ্জে গিয়েছি। তারপর আবার ঢাকাতে ফিরে কেরানীগঞ্জ গেছি। ওখানকার ইউনূস সরকারের তত্ত্বাবধানে পুলিস কেরানীগঞ্জ জেলখানায় আমার এক পরিবারের সদস্যকে আটকে রেখেছিল সেখানে গিয়েছি। ঢাকেশ্বরী মন্দিরে গিয়েছি সেখানে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের কোন সমস্যা হচ্ছে নাকি জিজ্ঞাসা করার জন্য। পুরোহিতের সাথে দেখা করতে গেছি। মানুষের ধর্ম পালন করতে অসুবিধা হয় কি না জেনেছি। বিকেলে বসুন্ধরা মার্কেটেও গেছি।
আরও পড়ুন-ফোন করে ডেকেছিল শ্বশুর, গোয়ালঘরে মিলল জামাইয়ের ঝুলন্ত দেহ
শুভেন্দুকে চ্যালেঞ্জ করে হুমায়ূন বলেন, দায়িত্বজ্ঞানহীন লোক। আমি চ্যালেঞ্জ করছি শুভেন্দু অধিকারীকে, বিদেশের কোথাও থেকে ১০০ টাকাও যদি ঢোকে, তাহলে কেন্দ্রীয় এজেন্সি লাগাক আমার পিছনে। মমতা ব্যানার্জি শেষ করে দিয়েছে বাংলাকে। শুভেন্দু অধিকারী চান্স পেলে আরও বাংলা বিক্রি করে দেবে। হুমায়ুন কবীর মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ। তাই হুমায়ূনের উত্থান মমতা, অভিষেক, শুভেন্দু কেউ সহ্য করতে পারছে না। আমরা যাব কোথায়? আমরা তো ভারতীয় নাগরিক। ভারতের সংবিধান অনুযায়ী, যে কোন দেশে যাওয়া আমাদের অধিকার। ২০৩২ কাল পর্যন্ত ইন্টারন্যাশনাল পাসপোর্ট আছে। দুবাই থেকে ইনভাইট করেছে বাবরি মসজিদ ইস্যুতে। আমি বলেছি ইলেকশন-এর পরে যাব গোল্ডেন ভিসা ইস্যু করতে চেয়েছে।
শুভেন্দুর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করবেন? হুমায়ূন বলেন, এইসব লোককে মানহানির কেস করে হাইলাইট করতে চাই না। মানুষ এর উত্তর দেবে। তৎকালীন এসপি মুকেশ কুমারের সঙ্গে শুভেন্দু অধিকারীর যে যোগসাজস ছিল সেটা যদি ফাঁস করি, শুভেন্দুর মুখ পুড়বে। ভাইপোকে গরু,কয়লা পাচারে জড়াচ্ছে। উত্তর থেকে দক্ষিণ দিনাজপুর, মালদা, মুর্শিদাবাদ রেট ছিল ১৫ লক্ষ টাকা শুভেন্দুর। বীরভূম জেলা থেকে ৫২ কোটি টাকা তুলছে। চোরের মায়ের বড় গলা।
(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, লাইফস্টাইল স্বাস্থ্য, প্রযুক্তির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের App, Facebook, Whatsapp Channel, X (Twitter), Youtube, Instagram পেজ-চ্যানেল)
