নতুন বিতর্ক! ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ হাই কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতির, প্রশ্নের মুখে নির্বাচন প্রক্রিয়া | Former Calcutta High Court judge Sahidullah Munshi’s name missing from SIR’s additional list


Kolkata

oi-Poushali Patra

পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, ঠিক ততই ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে বিতর্ক বেড়ে চলেছে। এই বার সেই তালিকা থেকেই নাম বাদ পড়ার অভিযোগ তুললেন কলকাতা হাই কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি শইদুল্লা মুন্সি। তিনি জানিয়েছেন যে, বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ার (SIR) শেষে প্রকাশিত হওয়া তালিকায় তাঁর নাম আর নেই।

বর্তমানে তিনি রাজ্যের ওয়াকফ বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্বে আছেন। মুন্সির কথায়, সমস্ত প্রয়োজনীয় নথি জমা দিয়েছিলেন তিনি। এমনকি পাসপোর্টের মতো গুরুত্বপূর্ণ নথিও জমা দেওয়া হয়েছিল। তবুও কোনোরকম রসিদ দেওয়া হয়নি অথবা অতিরিক্ত কোনও কাগজপত্র লাগবে বলেও জানানো হয়নি। হঠাৎ করেই নিজের নাম বাদ পড়ার কারণে তিনি বিস্মিত এবং ক্ষুব্ধ। তাঁর মতে, সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটিতে স্বচ্ছতার অভাব রয়েছে। তিনি আরও জানিয়েছেন যে, তাঁর স্ত্রী এবং বড় ছেলের নাম এখনও পর্যন্ত যাচাইয়ের আওতায় রয়েছে, অর্থাৎ তাঁদের বিষয়টিও এখনও চূড়ান্ত হয়নি। অন্যদিকে আবার, তাঁর ছোট ছেলেও নতুন ভোটার হিসেবে আবেদন করেছেন।

২৩ মার্চ প্রথম সম্পূরক ভোটার তালিকা প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন। সেই তালিকায় বিচারাধীন অনেক নামের বিষয়েই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আর সেই তালিকাতেই বাদ পড়ে মুন্সির নাম। যদিও এরকম সিদ্ধান্ত কীভাবে নেওয়া হল, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। তাঁর অভিযোগ যে, সমস্ত কিছু খুব দ্রুত এবং যান্ত্রিকভাবে করা হচ্ছে, যেখানে বিচারবুদ্ধির যথাযথ প্রয়োগ করা হচ্ছে না।

প্রাক্তন বিচারপতি হিসেবে নিজের অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করেছেন তিনি। তিনি বলেন, বিচারপতি হওয়ার আগে কঠিন যাচাই প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে যেতে হয়। আর সেখানে ব্যক্তিগত কোনও নথি ছাড়াও অভ্যন্তরীণ ভাবে অনেকরকম তদন্ত করা হয়, তারপরই নিয়োগ চূড়ান্ত হয়। আর সেই জায়গা থেকে তাঁর নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়া আরও বিস্ময়ের।

এইরকম পরিস্থিতিতে আপিল ট্রাইব্যুনালে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মুন্সি। নির্বাচন কমিশন ইতিমধ্যেই রাজ্যে ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনাল গঠন করেছে। সেই ট্রাইব্যুনালগুলিতে এই ধরনের অভিযোগের শুনানি করা হবে। জানা গিয়েছে যে, প্রায় ৬০ লক্ষ ভোটারের নাম যাচাইয়ের প্রক্রিয়া চলছে।

উল্লেখ্য, পশ্চিমবঙ্গে আগামী ২৩ এবং ২৯ এপ্রিল ভোটগ্রহণ হবে এবং ৪ মে ফল ঘোষণা হওয়ার কথা। তার আগেই এরকম একটি ঘটনা নতুন করে বিতর্ক উসকে দিল।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You missed