বেআইনি বাজি কারখানা বন্ধে এবং বিস্ফোরণের মতো ঘটনা এড়াতে বড় সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার। জেলায় জেলায় বাজির ক্লাস্টার বানানো নিয়ে একপ্রস্থ আলোচনা হল ক্যাবিনেট। জানা গিয়েছে, সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই নিয়ে আলোচনা হয়। সবুজ সংকেতও মিলেছে। ঠিক হয়েছে, ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা বাজি কারখানাগুলি বন্ধ করে গড়ে তোলা হবে ক্লাস্টার। অর্থাৎ জেলা শিল্প কেন্দ্রের তত্ত্বাবধানে নির্দিষ্ট একটি জায়গায় একসঙ্গে অনেক কারখানা তৈরি হবে। এক্ষেত্রে সরকারি কিছুটা সুবিধাও মিলবে।
নবান্ন সূত্রে খবর, মুখ্য সচিবের নেতৃত্বে কমিটি গঠন হচ্ছে। দু’মাস এর মধ্যে রিপোর্ট দেওয়া হবে।
নবান্ন সূত্রে খবর, মুখ্য সচিবের নেতৃত্বে কমিটি গঠন হচ্ছে। দু’মাস এর মধ্যে রিপোর্ট দেওয়া হবে।
কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে জোর দেওয়ার কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জেলা ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প দফতর বর্তমানে ছোট এবং মাঝারি শিল্পে বিপুলভাবে গুরুত্ব দিচ্ছে। বাড়ানো হচ্ছে ‘কমন ফেসিলিটি সেন্টার’ সিএফসি। বেড়েছে ক্লাস্টারের সংখ্যাও। পণ্যের গুণমান যাচাই করা থেকে শুরু করে নানা ধরনের সুযোগ-সুবিধার জন্য (সিএফসি) তৈরি করছে। সেখানে এক ছাদের তলায় একাধিক জন নানান সুবিধা পাচ্ছেন। এবার সেই জায়গায় সংযোজন বাজিরও।
জেলা শিল্প কেন্দ্রের কর্তারা বলছেন, ‘বাজি কারখানার ক্লাস্টার হলে তো ভালোই হবে, সমস্যা নেই। বেআইনি কারখানা পুরো বন্ধ হয়ে যাবে। সঙ্গে কিছু মানুষের কর্মসংস্থান হবে। সম্ভাব্য বিপদ এড়াতে যাবতীয় ব্যবস্থাও থাকবে সেখানে।’
আরও তথ্যের জন্য রিফ্রেশ করতে থাকুন…
