বৃহস্পতিবার তিনি দোকানের মালিক নীলরতন সিংহ পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন। ঘটনার সঙ্গে যুক্ত সন্দেহে বেশ কিছু নাম সাংসদের সামনে তুলে ধরা হয়। গোটা বিষয়টি নিয়ে পুলিশ কমিশনারের কাছে অভিযোগ জানানো হবে বলেও জানান অর্জুন।
ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চল ইন্ডাস্ট্রিয়াল এলাকা তাই সবসময় একটা গণ্ডগোল থাকে, তবে এই ধরনের ঘটনা এই প্রথম বলে মনে করে সাংসদ। এই সিংহ পরিবারের সঙ্গে বাড়িওয়ালার একটা গণ্ডগোল ছিল। পরিবারের সঙ্গে কথা বলে জানতে পারেন সাংসদ। ডাকাতি করা আর খুন করা দুটো মোটিভ সম্পূর্ণ আলাদা। এখানে খুন করার মোটিভ নিয়ে অর্থাৎ মারার পরিকল্পনা নিয়ে এসেছিল দুষ্কৃতীরা বলে দাবি সাংসদের।
এমন ঘটনায় পুলিশের উপরেই ক্ষোভ উগরে দেন সাংসদ। টিটাগড় থানার উপরেও এলাকার মানুষের অনেক ক্ষোভ আছে। টিটাগড় থানার ভূমিকা নিয়ে গোটা টিটাগড়ের মানুষের অভিযোগ আছে। প্রচুর মানুষের ক্ষোভ আছে। পুলিশের নিচু তলার অংশের এই ধরনের ঘটনা ঘটছে বলে দাবি অর্জুনের।
সাংসদ পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে দেখা করে গোটা বিষয়ট জানাবেন বলে জানান। ইতিমধ্যে এই ঘটনায় জড়িত বেশ কিছু নাম উঠে এসেছে। পুলিশে নজরদারির অভাবে ঘটনা ঘটে যাওয়ার পরে অনেকেই প্রশ্ন তোলেন। তবে তদন্ত হলে সবটা জানা যাবে বলে দাবি করা হচ্ছে পুলিশের তরফে।
পুলিশের ভূমিকা যে ঠিক নয় তা এই ঘটনা দেখলেই বোঝা যাচ্ছে বলে মনে করেন সাংসদ।এই ঘটনা শুধুমাত্র ডাকাতি নয় এর পিছনে অন্যকারণ আছে বলে মনে করেন অর্জুন সিং। এর পিছনে কোন রাজনৈতিক রঙ নেই,এটা একটা ক্রাইম।গতবছর ডি বাপি বিরিয়ানির দোকানে গুলি চালানোর সাথে এই ঘটনার কিছু কানেকশন আছে বলে মনে করেন সাংসদ।
অর্জুন সিংহের দাবি প্রসঙ্গে একমত কংগ্রেস নেতা আইনজীবী কৌস্তব বাগচী। তিনি বলেন, “অর্জুন বাবু একেবারে ঠিক কথা বলছেন। আমারও বলছি প্রশাসন ঠিকমতো কাজ করছে না। অর্জুন বাবু হয়তো সরাসরি অনেক কথা বলতে পারছেন না তার বাধ্যবাধকতার জন্যে। অর্জুন বাবু সঠিক বললে তাঁকে তো সমর্থন করতেই হবে। তিনি তো বেঠিক কিছু বলছেন না।”
প্রসঙ্গত, বুধবার সন্ধ্যায় ব্যারাকপুর স্টেশন সংলগ্ন ১৪ নং গেটের কাছে একটি সোনার দোকানে গুলি চালনার ঘটনা ঘটে। সোনার দোকানের মালিকের ছেলের গুলিতে মৃত্যু হয়। দোকানের মালিক নীলরতন সিংহ এই ঘটনায় আহত হন।
