এলাকায় অবৈধভাবে মাটি তোলা ও পাচারের অভিযোগ আসে গ্রামবাসীদের থেকে”। অবৈধভাবে মাটি তোলা বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন দাসপুর-১ ব্লকের ভূমি ও ভূমি রাজস্ব আধিকারিক। প্রসঙ্গত, দাসপুরে একাধিক বার বিভিন্ন জায়গায় অবৈধভাবে মাটি তোলা ও পাচারের অভিযোগ ওঠে।
এমনকি মাটি গাড়ির দৌরাত্ম্যে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন সাধারণ মানুষ। যদিও এই নিয়ে প্রকাশ্যে কেউ মুখ খুলতে চাননি। তবে গ্রামবাসীদের থেকে অভিযোগ পেয়ে বিভিন্ন সময় ঘটনাস্থলে পৌঁছে পদক্ষেপ নিতে দেখ যায় সংশ্লিষ্ট দফতরের আধিকারিকদের। এই ঘটনা যে শুধু দাসপুরের এমনটা নয়। ঘাটাল মহকুমার ঘাটাল, চন্দ্রকোণাতেও এহেন অবৈধভাবে মাটি তোলা ও পাচারের ঘটনা আকছার ঘটে চলে।
নম্বর প্লেটহীন মাটির গাড়ির দৌরাত্ম্যে অতিষ্ঠ হয়ে ওঠেন পথচলতি মানুষ। মহকুমা জুড়েই অবৈধ মাটি গাড়ির দৌরাত্ম্য বন্ধে উদ্যোগ নিক প্রশাসন চাইছেন সাধারণ মানুষ। এখন দেখার দাসপুরের মতো বাকি জায়গাগুলিতে প্রশাসনের তরফে কি পদক্ষেপ নেয়। মামুদপুরের স্থানীয় এক বাসিন্দা জানান, “দিনের পর দিন এভাবেই চলছে অবৈধ মাটি তোলার কারবার।
আসলে এই লোকগুলি এতটাই প্রভাবশালী যে আমরা সাধারণ মানুষরা খুব একটা মুখ খুলতে পারিনা, বা কিছু বলার সাহস থাকে না আমাদের। আর এই অবৈধ মাটির গাড়িগুলি গিয়ে গিয়ে রাস্তার অবস্থা একেবারেই খারাপ করে দিয়েছে। সাইকেল বা বাইক নিয়ে যেতে গেলে দু’বার ভাবতে হয়।
প্রশাসনকেও অনেকবার জানিয়েছি। কিন্তু লাভ হয়নি। এখন আধিকারিকরা এসে গাড়ি আটকালেন ঠিক কথা, কিন্তু একদিন আটকে কতদিন এই কারবার আটকাবেন তা নিয়ে সন্দেহ আছে। কারণ আবার কিছুদিন পরেই হয়ত দেখব গাড়ি যাওয়া শুরু হয়ে গিয়েছে”।
