এরপর বিদ্যালয় চত্বরে একাধিক গাছ লাগানো ছাড়াও কোলাঘাট খড়িচক পোল থেকে বিবেকানন্দ মোড় পর্যন্ত সচেতনতার বার্তা নিয়ে একটি সুসজ্জিত র্যালি বের করা হয়। পরে পরিবেশ সচেতনতার ওপর পথনাটিকা ও ১০০০ হাজার চারাগাছ বিতরণ করা হয়। এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কোলাঘাট টেকনো ইন্ডিয়া স্কুলের প্রিন্সিপাল সুমন চট্টোপাধ্যায় সহ একাধিক বিশিষ্ট জনেরা।
প্রিন্সিপাল সুমন চট্টোপাধ্যায় বলেন, “মানবজাতির সামনে এক ভয়ঙ্কর দিন আসছে। যে হারে গরম বাড়ছে, যদি এখন থেকে সঠিক পদক্ষেপ না নেওয়া হয়, তাহলে সামনে বড় বিপদ। লাগাতার অনেক জায়গায় গাছ কাটা হচ্ছে। সেই অনুযায়ী নতুন গাছ লাগানো হচ্ছে না। যত বেশি করে সম্ভব আমাদের গাছ লাগাতে হবে।
সেই কারণেই আমাদের আজকের এই অনুষ্ঠান। মানুষকে সচেতন করার জন্য এই অনুষ্ঠানের আয়োজন”। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলাফল স্বরূপ বৈশ্বিক আবহাওয়ার অস্বাভাবিক আচরণ দেখছে বিশ্ব। মরুভূমির উত্তপ্ত বালিতে যেখানে এক ফোঁটা জলের জন্য হাহাকার করতে হত, সেই মরুর বুকে বৃষ্টি আর সবুজের চিত্র ফুটে উঠেছে।
অপরদিকে বছরের অধিকাংশ সময়ে ঠাণ্ডা থাকা ইউরোপে দেখা যাচ্ছে বিপরীত চিত্র। অত্যাধিক তাপমাত্রায় ইংল্যান্ডের রাস্তার সিগন্যাল লাইট গলে যাওয়ার ছবি ভাইরাল হয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। বৈশ্বিক তাপমাত্রা এখনই কমানো না গেলে খুব দ্রুতই বিশ্বকে মারাত্মক পরিণতি ভোগ করতে হবে, এমনই বক্তব্য বিশেষজ্ঞদের।
বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বড় ধরনের সমস্যায় পড়তে হচ্ছে ভারতবর্ষকে। চলতি গ্রীষ্মকালে অদ্ভুতরকমের তাপমাত্রা বৃদ্ধির সম্মুখীন হয়েছে গোটা ভারত। গত কয়েক দশক ধরেই পরিবেশ বিজ্ঞানীরা জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব নিয়ে বিশ্ববাসীকে সতর্ক করে আসছেন। তবে তাদের আশঙ্কা দিন দিন বাস্তব হচ্ছে। আর তাই এই ধরনের সচেতনতা শিবির থেকে যেন মানুষ শিক্ষা নেন, এই আবেদনই করছেন স্কুলের শিক্ষক শিক্ষিকারা।
