‘মাঠরাখা’ গ্রন্থ’-এ রয়েছে মোট ১৮টি গল্প। প্রকাশক সোপান। বাঁকুড়ার সোনামুখী থানার রূপপাল গ্রামের বাসিন্দা হামিরুদ্দিনের লেখার অভ্যেস বহুদিনের। নিত্য সঙ্গী দারিদ্র্য ঘোচাতে বিভিন্ন রকম কাজ করতে হয়েছে তাঁকে। কিন্তু কখনও হাতের কলম নামিয়ে রাখেননি। কৃষিকাজ থেকে কায়িক শ্রম, কখনও পরিযায়ী শ্রমিক তো কখনও ফেরিওয়ালা সংসার চালাতে সবরকমের কাজ করেছেন। ক্লান্ত-পরিশ্রান্ত দেহে দিনের শেষে বাড়ি ফিরেও ক্লান্তির ছাপ পড়তে দেননি কলমে।
হামিরুদ্দিন মিদ্যার লেখনীতে বহু দিন ধরেই মুগ্ধ পাঠকেরা। এর আগেও তাঁর ‘আজরাইলের ডাক’ গল্পগ্রন্থের জন্য ‘ইলা চন্দ স্মৃতি পুরস্কার’ ও কৃত্তিবাসের ‘সন্দীপন চট্টোপাধ্যায় সম্মাননা’ পেয়েছিলেন হামিরুদ্দিন। ‘আজরাইলের ডাক’ বইটি দুটি বিদেশি ভাষাতেও অনুদিত হয়েছে। এরপরই ২০২২ সালে বইমেলায় প্রকাশিত হয় ‘মাঠরাখা’ গ্রন্থটি। দেশের ২০টি ভাষার ২০টি সাহিত্যিকের মনোনয়নের মধ্যে থেকে সেরা বলে নির্বাচিত হয় ‘মাঠরাখা’ বইটি। ২০২৩ সালের সাহিত্য অকাদেমি যুব পুরস্কারের জন্য বেছে নেওয়া হল হামিরুদ্দিন মিদ্যাকে।
