একইসঙ্গে প্রশ্নের মুখে রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোসেরও সমালোচনা করেন অভিষেক। রাজভবনে পিস রুম খোলার প্রেক্ষিতে অভিষেকের পালটা প্রশ্ন, টপিস রুম, ‘কন্ট্রোল রুম করোমণ্ডল দুর্ঘটনার দিন খুললেন না কেন? নির্বাচন কমিশনের হাতে যদি রক্ত লেগে থাকে তাহলে মণিপুরে যে ৩০০ জন মারা গেল তার রক্ত কার হাতে লেগে আছে?’
‘হাইকোর্টকে ধন্যবাদ’
এদিন নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়েও মুখ খুলতে শোনা যায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তিনি বলেন, ‘আমি সব জায়গায় বলেছি ১০০ শতাংশ মনোনয়ন হবে। তারা চলে যাচ্ছে আদালতে, একদফায় ভোট হবে না ৫ দফায় ভোট হবে। তারা চলে যাচ্ছে আদালতে না কেন্দ্রীয় বাহিনী দরকার। কেন্দ্রীয় বাহিনীতে রাজ্য নির্বাচন কমিশন আপত্তি জানিয়েছে। কমিশন ভেবেছে যে ক্ষমতা হ্রাস হচ্ছে বা সঙ্কুচিত হচ্ছে। সেই কারণে আদালতে গিয়েছে। প্রতিবাদ জানিয়েছে। বিচারব্যবস্থা মনে করেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী দেওয়া হবে, কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়েছে। আমাদের অভিপ্রায় যদি খারাপ হত তাহলে তো দলের তরফ থেকে আমি সুপ্রিম কোর্টে যেতে পারতাম। কিন্তু আমি তো বলিনি। আমি ধন্যবাদ জানাচ্ছি হাইকোর্টকে কেন্দ্রীয় বাহিনী মতোয়ানের নির্দেশে দিয়েছে বলে।’
এদিন কেন্দ্রীয় বাহিন প্রসঙ্গে ত্রিপুরার উদাহরণও টানেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ‘ত্রিপুরায় তো ২৫ বছর সিপিএম-এর ক্ষমতা ছিল। ত্রিপুরায় ১০ গুণ সন্ত্রাস হয়। বাংলায় যদি একটা ঘটনা ঘটে, ত্রিপুরায় ১০টা হয়। রাজ্য সরকার আদালতে চাইলে যেতে পারে। সেখানে দলের কোনও বক্তব্য নেই। দল ও রাজ্যসরকার পৃথকভাবে চলে।’
ভাঙড় ও নির্দল প্রসঙ্গে অভিষেক…
নির্দলদের সাসপেন্ড প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে অভিষেক বলেন, ‘এমন নয় যে সমস্ত নির্দলকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। যাঁরা তৃণমূলে ছিল, কিন্তু টিকিট না পেয়ে নির্দল হয়েছেন, তাঁদের দল বিরোধী কাজের জন্য সাসপেন্ড করা হয়েছে। সেটা প্রথম দিন থেকে বলা হয়েছে। সেটাই করা হয়েছে।’ পাশাপাশি ভাঙড় প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ভাঙড় বলে নয়, আমার চাই সব জায়গাতেই শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হোক। ভাঙড়ে যে ঘটনা ঘটেছে তা অবঞ্ছিত, না ঘটলে বেশি খুশি হতাম।’
