এই বিষয়ে রেলমন্ত্রী জানান, রেলের লক্ষ্য হল শোননগর থেকে অন্ডাল পর্যন্ত চার লাইন করা। কারণ অন্ডালের পরে লাইনে সে ভাবে ট্র্যাফিকের চাপ থাকে না। যাত্রী ও পণ্য মসৃণ ভাবে চালানোর প্রশ্নে মিসিং লিঙ্ক ছিল শোননগর থেকে অন্ডাল। বাংলা, ওড়িশা এবং উত্তর-পূর্ব ভারত থেকে ট্রেন আসা যাওয়ার ক্ষেত্রে জট তৈরি হচ্ছিল। তাই শোননগর থেকে অন্ডাল পর্যন্ত চার লাইন হচ্ছে। কিন্তু অন্ডাল থেকে আর পিপিপি মডেলে নতুন করে করিডর তৈরি হচ্ছে না।
রেলমন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, পূর্ব ও পশ্চিম পণ্যবাহী করিডরের মধ্যে ১৮টি পয়েন্ট করা হচ্ছে। সেগুলির মাধ্যমে পণ্যবাহী ও যাত্রিবাহী করিডরের মধ্যে যোগাযোগ থাকবে। নতুন যে শোননগর-অন্ডাল প্রকল্প ঘোষিত হয়েছে সেই চারটি লাইনও যাত্রিবাহী করিডরে মিশে যাবে। যার ফলে ওই লাইনে যাত্রী ও পণ্য বহন ক্ষমতা বাড়বে বলেই মনে করেন মন্ত্রী। নতুন এই করিডর নির্মাণের জন্য ৫ বছরের লক্ষ্যমাত্রা রাখা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।
এছাড়া এই করিডর তৈরি হলে আরও বেশকিছু সুবিধা পাওয়া যাবে বলেই জানা যাচ্ছে। যেমন এই করিডর বাস্তবায়িত হলে হাওড়া-দিল্লি পথে যাত্রিবাহী ট্রেনের সময় কমবে। পাশাপাশি অন্ডাল পর্যন্ত সম্প্রসারণের ফলে উত্তরবঙ্গের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ তৈরি হচ্ছে। সীতারামপুর থেকে গয়া এবং পটনা শাখায় ট্রেন চলাচলও মসৃণ হবে। এখানেই শেষ নয়, করিডরটি তৈরি হলে পশ্চিম বর্ধমান জেলার একাধিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং ইস্পাত শিল্প কারখানাও উপকৃত হবে।
সূত্র মারফৎ জানা যাচ্ছে, নতুন এই করিডর দিল্লি-হাওড়া লাইনের সমান্তরালে সম্পূর্ণ পৃথক লাইন হিসাবে পাতা হবে। বিহার থেকে ঝাড়খণ্ডের রাঁচি হয়ে সেটি পশ্চিমবঙ্গে প্রবেশ করবে। নতুন রেলপথে নিউ প্রধানখন্তা, নিউ মুগমা, নিউ অন্ডাল, নিউ কাস্থা, নিউ কোডার্মা ও নিউ গোমো নামের ছয়টি নতুন জংশন স্টেশনও তৈরি হবে বলে জানা যাচ্ছে।
