এদিকে এই লোড টেস্টিং প্রক্রিয়ার জন্য ৪ দিন বন্ধ মোহনপুর ব্রিজের যান চলাচল। ফলে ব্যাপক সমস্যায় পড়তে হয়েছে খড়গপুর ও মেদিনীপুরের মানুষকে। এই পরিস্থিতিতে বিকল্প হিসেবে পার্শ্ববর্তী আমতলা ঘাটের জলপথ ব্যবহার করছেন মানুষজন। বাঁশের তৈরি সাঁকোর ওপর দিয়ে চলছে যাতায়াত। আর ভারী মালপত্র নিয়ে যাওয়া হচ্ছে নৌকা করে। তবে এই সাঁকোর উপর গিয়ে যাতায়াতের সময় যাতে কোনওরকম বিপত্তি বা বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি না হয়,তার জন্য মোতায়েন রাখা হয়েছে পুলিশ ও বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীকে। পুলিশ প্রশাসন ও পুরসভা কাঁধে কাঁধ মিলে একসঙ্গে কাজ করছে।
প্রসঙ্গত, বীরেন্দ্র সেতু এখন বন্ধ থাকায় মেদিনীপুর থেকে কলকাতা যেতে গেলে ধরমা-কেশপুর-লঙ্কাগড়-রাজনগর-বকুলতলা-খুকুরদহ হয়ে মেছোগ্রামের জাতীয় সড়ক ধরতে হচ্ছে মানুষকে। বীরেন্দ্র সেতু হয়ে মেদিনীপুর থেকে মেচোগ্রামের দূরত্ব প্রায় ৫২ কিলোমিটার। কিন্তু ডাইভারসন রুট অর্থাৎ নারাজল হয়ে মেদিনীপুর থেকে মেছোগ্রামের দূরত্ব ৭৩ কিলোমিটার। তবে খড়গপুর শহর থেকে মেদিনীপুরে সড়কপথে আসার ক্ষেত্রে সব থেকে বেশি সমস্যায় পড়তে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। খড়গপুর শহর থেকে মেদিনীপুরের দূরত্ব যেখানে খুব বেশি হলে ১৩ কিলোমিটার, সেখানে ডাইভারশন রুট ধরে খড়গপুরের চৌরঙ্গী থেকে মেদিনীপুর পৌঁছতে ঘুরতে হচ্ছে ১০০ কিলোমিটারেরও বেশি।
এই পরিস্থিতিতে স্থানীয় মানুষজনকে পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে সহযোগিতা করার আবেদন জানানো হয়েছে। প্রশাসনিক কর্তার বলছেন, মানুষ যদি এই ৪ দিন একটু সহযোগিতা করেন, তাহলে আগামীদিনে বীরেন্দ্র সেতুর উপর দিয়ে যাতায়াত করা আরও সহজ হয়ে উঠবে।
