রণয় তেওয়ারি: এসটিএফের অভিযানে উদ্ধার হল ১৩টি সিমবক্স মেশিন। ওইসব সিমবক্স মেশিন রাখার জন্য উত্তর ২৪ পরগনার স্বরূপ নগরের হাকিমপুর থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে কবীর দফাদার নামে এক ব্যক্তিকে। এর পাশাপাশি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে ১৫ লাখ টাকা মূল্যের সামগ্রী। পেট্রাপোল বাজারের একটি দোকানে হানা দিয়ে উদ্ধার হয় ওই সিমবক্স মেশিন।
আরও পড়ুন-সোমবার ফের পরিবর্তন আবহাওয়ার, তুমুল বৃষ্টির পূর্বাভাস উত্তরবঙ্গে
বেঙ্গল এসটিএফ সূত্রে খবর, গত ১১ হাওড়ার মালিপাঁচঘড়া থানায় একটি অভিযোগ দায়ের হয়। এরপর তদন্তে নামে বেঙ্গল এসটিএফ। সেই তদন্ত করতে গিয়ে এসটিএফ সন্ধান পায় দুটি জায়গার। একটি হল উত্তর ২৪ পরগনা জেলায় স্বরূপনগরের হাকিমপুর ও অন্যটি পেট্রাপোল বাজার। ওই দুই জায়গাতেই অভিযান চালায় এসটিএফ। পেট্রাপোল বাজারের সাব্বির এন্টাপ্রাইজ নামে একটি দোকানে হানা দেয় এসটিএফ। পাশাপাশি স্বারূপনগরেরই হাকিমপুরে কবীর দফাদার নামে একজনের নির্মীয়মান বাড়িতেও অভিযান চালানো হয়। দুটি জায়গা থেকে ১৩টি সিমবক্স উদ্ধার হয়। কবীরের পাশাপাশি অন্য এক দুষ্কৃতীকেও গ্রেফতার করেছে এসটিএফ। কবীরের বাড়ি থেকে একাধিক রাউটার ও ছ’শো সিমকার্ড বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। ওই ঘটনার সঙ্গে আর কারা জড়িত তা খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে এসটিএফ।

এদিকে, এরই পাশাপাশি বন দফতরের অভিযানে কলকাতার ফিয়ার্স লেনের একটি জায়গা থেকে উদ্ধার হল ৯৪৫টি হরিণের শিং। ঘটনায় গ্রেফতার এক ব্যক্তি। একটি গোডাউনে ওইসব শিং লুকিয়ে রাখা ছিল।
গতকাল রাতে বন দফতরের কাছে কমার্শিয়াল ট্যাক্স অফিসারদের থেকে একটি খবর আসে যে কলকাতা ৭৫ ফিয়ার্স লেন এর একটি গোডাউনে তল্লাশি চালানোর সময় কিছু হরিণের সিং তাদের নজরে আসে। এর পরই ওয়াইল্ড লাইফ ক্রাইম কন্ট্রোল সেল এর তরফ থেকে একটি টিম তৈরী করে সেখানে তল্লাশি চালানো হয়। সেখানে গিয়ে দেখা যায় একটি গোডাউনের মধ্যে প্রচুর পরিমানে হরিণের সিং মজুত করে রাখা রয়েছে। এই ঘটনায় ওই গোডাউনের একজনকে গ্রেফতার করা হয়। এত হরিণের শিং এই গোডাউনে কেন মজুত করে রাখা ছিল, কোথা থেকে এল এতো সিং? তবে কি এখান থেকে এই সিং বিদেশে পাচার হতো? নাকি এর পিছনে বড় চক্র রয়েছে? সব বিষয়ে ধৃতকে জিজ্ঞাসা বাদ করে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
