অধীর চৌধুরীর পাশে বসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ইয়াসির বলেন, ‘মানুষের কাজ করার জন্য রাজনীতিতে এসেছিলাম। মনে হয় কংগ্রেস থেকে রাহুল গান্ধী ও অধীর চৌধুরী নেতৃত্বে মানুষের জন্য কাজ করতে পারব। কংগ্রেস ভেঙেই তৃণমূল কংগ্রেস তৈরি হয়েছিল। তাই এই দলের যোগ দিলাম।’
ইয়াসির আরও বলেন, ‘তৃণমূলে থেকে আমি কাজ করতে পারছিলাম না। কোনও দুর্নীতিতে আমার নাম জড়িত ছিল না। এতদিন ধরে রাজনীতি করেছি, এখন রক্তে মানুষের সেবা রয়েছে। ২০১৯ সালে আমাকে কেন যুব তৃণমূলের সম্পাদকের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হল, তা আমি বুঝতে পারলাম না। দলের শীর্ষ নেতৃত্বেকে জিজ্ঞেস করেও কোনও উত্তর পাইনি। সেই কারণে অধীরদার ডাকে সাড়া দিয়ে আমি কংগ্রেসে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’
তাঁর শ্বশুর তৃণমূলের অন্যতম নেতা। একই সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ দফতরের মন্ত্রী ও কলকাতার মেয়র পদে রয়েছেন ফিরহাদ। তাসত্ত্বেও কেন এই সিদ্ধান্ত? এই প্রশ্নের জবাবে ইয়াসির বলেন, ‘কংগ্রেস থেকে তৃণমূল কংগ্রেস তৈরি হয়েছিল। ভারতের সবথেকে পুরনো পার্টি কংগ্রেস। সেই কারণে দেশবাসীর কংগ্রেসের প্রতি ভালোবাস ও দুর্বলতা রয়েছে। আমাদের মতো তরুণ প্রজন্মের ছেলে মেয়েদের কংগ্রেস সুযোগ দিয়েছে। আমরা আরও ভালো করে কাজ করব। আমি রাম নিয়ে রাজনীতি করতে পারব না বলেই বিজেপিতে যাইনি। মানুষেকর সুবিধার জন্য রাজনীতি করতে চাই।’
বিস্তারিত জানতে রিফ্রেশ করুন….
