Ragging Case : বিশাখাপত্তনামের হস্টেলে মেয়ের মৃত্যুর বিচার চাই সাহা পরিবার – tollygunge saha family wants justice for daughter death in visakhapatnam hostel


এই সময়: হস্টেলে মেয়ের রহস্যজনক মৃত্যুর কোনও কিনারা করতে পারেননি মা-বাবা। বিচার না পেয়ে নীরবেই সন্তানের মৃত্যু যন্ত্রণা সয়ে ছিলেন তাঁরা। যাদবপুরের ছাত্র মৃত্যুর ঘটনায় অভিযুক্তদের পুলিশের হাতে ধরা পড়তে দেখে এ বার নিজের মেয়ের মৃত্যুর জন্য দোষীদের শাস্তি চেয়ে মুখ খুললেন সন্তানহারা সাহা দম্পতি।

বিশাখাপত্তনমে পড়তে গিয়ে মৃত্যু হয়েছিল টালিগঞ্জের বাঁশদ্রোণীর বাসিন্দা বছর ষোলোর রীতি সাহার। মাধ্যমিক পাশ করে ২০২২ সালের মে মাসে বিশাখাপত্তনমের একটি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়তে গিয়েছিল রীতি। তাঁর ইচ্ছে ছিল, ওই বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাশ করে মেডিকেলের জন্য নিট পরীক্ষার প্রস্তুতি নেবে।

Ragging Case: যাদবপুরের পড়ুয়ার মতো একইভাবে হস্টেলে মৃত্যু সুরম্যর! হুগলির যুবকের মৃত্যুরহস্য নিয়ে মুখ খুললেন মা
কিন্তু, এবছরের ১৪ জুলাই হস্টেল থেকে ফোন করে পরিবারকে জানানো হয়, ছাদ থেকে পড়ে গিয়েছে রীতি। পরিজনেরা বিশাখাপত্তনম পৌঁছনোর আগেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে সে। রীতির বাবা শুকদেব সাহা একজন নির্মাণ ব্যবসায়ী। তিনি বলেন,‘ময়না তদন্তের পরে শুধু মেয়ের দেহটা হাতে দিয়েছে প্রশাসন। আর কোনও সাহায্য করেনি স্থানীয় পুলিশ। এমনকী অভিযোগও নিতে চাইছিল না থানা। নিজের এক আত্মীয় আইনজীবী। তাঁর সহায়তায় অভিযোগ দায়ের হয়।’

Ragging In Jadavpur University : মৃত্যুর রহস্য লুকিয়ে শেষ ১৫ মিনিটেই! ইন্ট্রোর নামে বিবস্ত্র করা হয় মৃত ছাত্রকে
রীতির মা নন্দিনী বলেন,‘যাদবপুরের পড়ুয়ার মতোই আমার মেয়ের সঙ্গে কিছু করা হয়েছে। আমি দোষীদের উপযুক্ত শাস্তি চাই।’ মৃতের পরিবারের অভিযোগ, বিশাখাপত্তনমের পুলিশ তাঁদের হাতে অভিযোগের প্রতিলিপিটুকুও দিতে চাইছিল না। মেয়ের মৃত্যু রহস্যের যাবতীয় প্রমাণ হস্টেল কর্তৃপক্ষ পুলিশের সহায়তাতেই লোপাট করে বলেও অভিযোগ অভিভাবকদের।

বিচার চেয়ে বিশাখাপত্তনমের স্থানীয় আদালতেরও দ্বারস্থ হয়েছিলেন তাঁরা। মৃতের বাবা শুকদেব বলেন,‘আদালত একজন কমিশনার নিযুক্ত করেছিলেন। ওখানকার পুলিশকে ওই কমিশনারের হাতে যাবতীয় তথ্য তুলে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু পুলিশ সেই কমিশনারকেও তথ্য না দিয়ে কার্যত খালি হাতে পাঠিয়ে দেয়।’

Jadavpur University Ragging Case : ‘ঘরের ছেলে’-কে খুন! পড়ুয়ামৃত্যুর প্রতিবাদে ট্রেনে যাদবপুর অভিযান বগুলাবাসীর
ছোট বোনের মৃত্যুর বিচার চেয়ে সদ্য স্নাতক সুকৃতি টুইট করেছিলেন। টুইটে তাঁকে ১৭ লক্ষ মানুষ সমবেদনা জানিয়েছেন। সুকৃতি বলেন,‘আমরা বুঝতে পারছি আজ নদিয়ার ছাত্রের পরিবারকে কেমন যন্ত্রণা সহ্য করতে হচ্ছে। এই যন্ত্রণা যেন আর কোনও পরিবারকেই সইতে না হয়। তাই আমিও চাই আমার বোনের মৃত্যুর জন্য যাঁরা দায়ী তাঁদের খুঁজে শাস্তি দিক বিশাখাপত্তনমের পুলিশ।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *