উত্তরোত্তর বাড়ছে বেকার যুবক যুবতীদের সংখ্যা। পড়াশোনা শেষ করার পর ছাত্রছাত্রীরা যাদের ভবিষ্যতে নিজেদের পায়ে দাঁড়াতে পারে সেই উদ্দেশ্যেই তাদের হাতে কলমে মাছ চাষের বিভিন্ন মাধ্যমের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। পূর্ব মেদিনীপুর জেলার সিএডিসি এর হ্যাচারিতে মাছের প্রজনন কিভাবে করা যায় তা হাতে কলমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। পেংবা সরপুটি সিঙ্গি সহ বিভিন্ন মাছের প্রজননের মাধ্যমে কিভাবে নতুন চারা-পোনা করা যায় তারই প্রশিক্ষণ হল।
পড়াশোনার পাশাপাশি হাতে কলমে মাছের সফল প্রজনন করার শিক্ষা ভবিষ্যতে তাদেরকে কেরিয়ার গড়তে সাহায্য করবে বলে মনে করছেন ছাত্র ছাত্রীরা। এই বিষয়ে সিএডিসির প্রজেক্ট অফিসার ডক্টর উত্তম লাহা বলেন, ‘সবাই পড়াশোনার পর সরকারি চাকরি পাবে এমনটা নয়। কিন্তু হাতে কলমে প্রশিক্ষণ নেওয়া থাকলে অভিজ্ঞতা ছাত্র ছাত্রীরা ভবিষ্যতে কাজে লাগিয়ে নিজেরা কেরিয়ার গড়তে পারবে। বর্তমান সময়ে মাছের চাহিদা বাড়ছে ফলে মাছ চাষের বিভিন্ন প্রশিক্ষণ ছাত্রছাত্রীদের কর্মমুখী করে তুলবে’।
প্রশিক্ষণ নেওয়া এক ছাত্রী এই বিষয়ে বলেন, ‘আমাদের জেলায় যেহেতু মাছ চাষ একটা বড় ব্যবসা, তাই এই প্রশিক্ষণ নেওয়া থাকলে ভবিষ্যতে নিজের ব্যবসাও শুরু করা যেতে পারে। তখন এই অভিজ্ঞতা যথেষ্ট কাজে লাগবে’।
উল্লেখ্য, পূর্ব মেদিনীপুর জেলার অবস্থানগত ভাবে মাছ চাষের জন্য উপযুক্ত। বহু মানুষ এই পেশায় যুক্ত। এর আগে মাছ চাষের সম্প্রসারণে ডিজিটাল প্লাটফর্ম ব্যবহারের উদ্যোগ। অনলাইনে হাতের মোবাইলে সরাসরি ভার্টুয়াল আলোচনা সভা প্রশিক্ষণশিবির করা হয়।
এতে প্রযুক্তি সম্প্রসারনের সঙ্গে সঙ্গে মৎস্য পেশাগত দিক খুঁজে পাচ্ছেন তরুন ও যুবক সম্প্রদায়। প্রসঙ্গত বিভিন্ন পেশায় ডিজিটাল প্লাটফর্মের তথ্য আদান প্রদান গুরুত্ব পাচ্ছে। সেখানে পিছিয়ে নেই গ্রামের মাছ চাষিরাও।
