Sundarban Ferry Service : সুন্দরবনে ইলেকট্রিক ভেসেলের যাত্রা শুরু! খরচ অনেক কম, আর কী কী সুবিধা? – electric vessel journey has been started in sundarban area good news


যাত্রা শুরু করল সুন্দরবনের প্রথম ইলেকট্রিক ভেসেল। বনশ্যামনগর থেকে আরডি নগরের মাঝে এই জলযানটি চলাচল করবে। এর ফলে প্রতিবছর ৪৫০ লিটার ডিজেল যেমন বাঁচবে, তেমনই ০.৫ টন কার্বন উৎপাদন কম হবে। এতে সুন্দরবনের পরিবেশ আরও ভাল হবে বলেই মনে করা হচ্ছে। নতুন এই জলযান নিয়ে বেশ উৎসাহ তৈরি হয়েছে এলাকাবাসীর মধ্যে। দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডিএফও মিলন মণ্ডলের উপস্থিতিতে এই জলযানের উদ্বোধন করেন রাজ্য দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের চেয়ারম্যান কল্যাণ রুদ্র।

যা বললেন কল্যাণ রুদ্র
এই বিষয়ে কল্যাণ রুদ্র বলেন, ‘এটা ভাল লেগেছে। ডিজেলচালিত নৌকায় প্রচুর শব্দ হয় এবং ক্ষতিকারক কালো ধোঁয়াও উৎপন্ন হয়। এছাড়া ডিজেল মিশ্রিত জল প্রতিদিন নদীতেও ফেলা হয়। WBPCB এই ধরণের জলযানকে উৎসাহ দেবে।’

Indian Railways: সেপ্টেম্বরেই নতুন রুটে ছুটবে ভারত-বাংলাদেশ ট্রেন! থামবে কোন কোন স্টেশনে?
বিদ্যুৎচালিত ফেরিটি রেট্রোফিটেবল ইলেকট্রিক প্রোপালশান ইউনিট এবং এফিশিয়েন্ট লিথিয়াম আইরন ব্যাটারি প্যাক দিয়ে তৈরি করা হয়েছে। তবে আপৎকালী পরিস্থিতির জন্য ডিজেল ইঞ্জিন স্ট্যান্ডবই হিসেবে রাখা হবে। ইলেকট্রিক প্রোপালশান ইউনিটটিতে রিমোট মনিটরিং ড্যাশবোর্ড থাকবে। এটি তথ্য জমা, মনিটরিং এবং বিশ্লেষণ করবে।

Forest Conservation Amendment Bill 2023 : গাছের কোনও ভোট নেই, তারা ধ্বংসের নিশানা
কী বললেন জলযানের চালক?
ইলেকট্রিক ফেরি পরিষেবার প্রথম চালক সঞ্জয় মণ্ডল জানান, তিনি দিনে ১০০টি ট্রিপের জন্য ৬০০ টাকার ডিজেল খরচ করতেন। এখন সারাদিন চলাচলের জন্য চার্জিংয়ের ক্ষেত্রে মাত্র ৪০ টাকা খরচ করলেই হবে। কখনও কখনও আবার ডিজেলের অভাবে মিশ্র জ্বালানিও ব্যবহার করা হয়। সেক্ষেত্রে ডিজেলের সঙ্গে মেশান হয় কেরোসিনও। কিন্তু ই-জলযানে সেই সমস্যারও সমাধান হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

Electric Cycle : 5G ফোনের থেকেও সস্তা! 50 কিমি মাইলেজ দিচ্ছে এই ই-সাইকেল
প্রসঙ্গত, রাজ্যের অন্যতম পর্যটন ক্ষেত্র সুন্দরবন। সারা বছরই রাজ্যের বিভিন্ন জেলা, এমনকী ভিনরাজ্য থেকেও মানুষ বেড়াতে যান সুন্দরবনে। ম্যানগ্রোভ অরণ্যের মাঝে লুকিয়ে থাকা রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার ও জলের গভীরে থাকা কুমির এখানকার অন্যতম আকর্ষণ। অন্যদিকে এই অঞ্চলে রয়েছে ছোট ছোট বেশকিছু দ্বীপ। যে সব জায়গায় থেকে মূল ভূখন্ডের সঙ্গে যোগাযোগের প্রধান মাধ্যমই হল জলযান। নৌকা বা ভুটভুটির মাধ্যমে সারাদিন বহু মানুষ মূল ভূখণ্ড এবং দ্বীপগুলির মধ্যে যাতায়াত করেন। সেক্ষেত্রে এই ই-নৌকা চালু হলে মানুষের আরও সুবিধা হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এদিকে কেউ প্রশ্ন তুলছেন, এই ধরণের জলযান চালাতে খরচ যেহেতু কম, সেহেতু আগামীদিনে সুন্দরবনের বুকে বেশি পরিমানে এগুলি চালু হলে ফেরি যাতায়াতের খরচ কি কমবে?



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *