কোন পথে দিল্লি?
ট্রেন না পেয়ে সড়কপথেই দিল্লি যাওয়ার পরিকল্পনা করেছে তৃণমূল নেতৃত্ব। সেক্ষেত্রে বাসে করে প্রায় ১,৬০০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে হবে তৃণমূল নেতা কর্মী সমর্থকদের। জেলা অনুযায়ী বাস বরাদ্দ করা হচ্ছে। কলকাতা থেকে আসানসোল, ধানবাদ, বারাণসী, কানপুর ও আগ্রা হয়ে দিল্লি পৌঁছবে বাসগুলি। ইতিমধ্যেই প্রচুর পরিমান তৃণমূল কর্মী সমর্থক উপস্থিত হয়েছেন নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে।
কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বঞ্চনা এবং ১০০ দিনের কাজের টাকা আটকে রাখার অভিযোগে আগামী ২ এবং ৩ অক্টোবর দিল্লিতে প্রতিবাদ ও ধরনা কর্মসূচির ডাক দেয় তৃণমূল। রাজ্যের ১০০ দিনের কাজের শ্রমিক ও জব কার্ড হোল্ডারদের দিল্লিতে দিয়ে গিয়ে ধরনা কর্মসূচির ডাক দেয় শাসকদল। নিজেদের জব কার্ড হাতে নিয়েই দিল্লিতে যাবেন শ্রমিকরা।
তৃণমূলের দাবি, এর জন্য ট্রেন বুক করা হলেও শেষ পর্যন্ত তা বাতিল করা করেছে রেল। এই বিষয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগ, টাকা জমা নিয়েও শেষ মুহূর্তে ট্রেন বাতিল করা হয়েছে রেলের তরফে। প্রমাণ হিসেবে রেলের পাঠানো ইমেলও সাংবাদমাধ্যমের সামনে তুলে ধরেন তিনি। এরপরেই তাঁর দাবি, ট্রেন বাতিল করে তৃণমূলকে আটকানো যাবে না। বিকল্প ব্যবস্থা করা হবে। বাংলার বঞ্চিত মানুষের কণ্ঠস্বর দিল্লিতে পৌঁছবেই বলে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেন অভিষেক।
তৃণমূলের এই শীর্ষ নেতা জানান, নিয়ম মেনে গত ২৩ সেপ্টেম্বর বিশেষ ট্রেনের জন্য আইআরসিটিসি-র কাছে আবেদন করা হয়েছিল। তারপরেও যাত্রার একদিন আগে হঠাৎ করেই রেল কর্তৃপক্ষ তৃণমূলের আবেদন খারিজ করে দেয়। একইসঙ্গে অভিষেক বলেন, ‘প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়ে মোদী সরকার এই কাজ করেছে, যে কোনওভাবে দিল্লি যাব, একজন সাধারণ শ্রমিকের গায়েও হাত পড়লে তার ফল মারাত্মক হবে।’ অন্যদিকে পূর্বরেলের অবশ্য দাবি, রেলের কাছে বিশেষ ট্রেনের জন্য কোনওরকম আবেদন করা হয়নি।
