West Bengal Club : ক্লাবগুলির পরিকাঠামো উন্নয়নের জন্য আর্থিক অনুদান বন্ধ, সিদ্ধান্ত নিল নবান্ন – west bengal government will not give any fund on club development


রাজ্যের ক্লাবগুলির উন্নয়নে আর কোনও আর্থিক অনুদান দেওয়া হবে না, এবার সিদ্ধান্ত নিল নবান্ন। শুধু তাই নয়, ২০১৯ সালের পর থেকে এই খাতে কোনও অর্থ রাজ্যের একটি ক্লাবকেও দেওয়া হয়নি বলে সূত্রের খবর। প্রসঙ্গত, রাজ্যের ক্লাবগুলিকে পরিকাঠামো উন্নয়নের জন্য অনুদান দেওয়া হয়েছিল রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে।

এরপরেই বিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছিলেন বিরোধীরা। ক্লাবগুলিতে রাজনৈতিক রং লাগানোর চেষ্টার অভিযোগ উঠেছিল। যদিও সেই দাবি খারিজ করে দিয়েছিল রাজ্য শাসক দল। এবার নবান্ন সূত্রে খবর, সার্বিক উন্নয়নের জন্য রাজ্যের ক্লাবগুলিকে আর কোনও অর্থ দেওয়া হবে না।

Jadavpur University CCTV Camera : যাদবপুরে শুরু সিসিটিভি ইনস্টলেশন, কোন ক্যামেরার কী কাজ?
প্রসঙ্গত, রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পর ২০১২ সালে নির্দিষ্ট কিছু ক্লাবকে বছরে একবার দুই লাখ এবং পরের তিন বছর এক লাখ টাকা করে দেওয়ার কথা ঘোষণা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রথমবারে সাড়ে সাতশোর বেশি ক্লাবকে এই খাতে নির্দিষ্ট করা হয়েছিল। আর ক্লাবের সার্বিক উন্নয়নের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছিল ১৫ কোটি। পরে সংশ্লিষ্ট বছরেও আরও দেড় হাজার ক্লাবকে এর আওতায় আনা হয়। সেই কারণে আরও ৪০ কোটি বরাদ্দ করতে হয়েছিল।

সেই সময় বিরোধী দলের নেতারা তীব্র আক্রমণ করেছিল। গোটা বিষয়টিতে রাজনৈতিক রং লাগানোর অভিযোগ ওঠে। শুরু হয় রাজনৈতিক তরজাও। যদিও বিরোধীদের যাবতীয় অভিযোগ খারিজ করে দিয়েছিল তৃণমূল।

PWD Helpline : বেহাল রাস্তার অভিযোগ জানাতে নয়া হেল্পলাইন! পুজোর আগেই উদ্যোগী নবান্ন
সর্বশেষ ২০১৯ সালে এই ক্লাবগুলির নাম তোলা হয়। যদিও এরপর নতুন করে এই অনুদান দেওয়া হয়নি। এবার তা পুরোপুরিভাবে বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিল সরকার। কিন্তু, কেন হঠাৎ করে এই সিদ্ধান্ত, তা নিয়ে বিস্তর আলোচনা চলছে।

প্রাথমিকভাবে জানা যাচ্ছে, যে সমস্ত ক্লাবগুলিকে এই অর্থ দেওয়া হচ্ছে তাদের একটি ইউটেলাইজেশন সার্টিফিকেট জমা দিতে হবে। যেখানে লেখা থাকবে কী ভাবে এই অর্থ ব্যবহার করা হচ্ছে। কিন্তু, পরবর্তীতে দেখা যায় অধিকাংশ ক্লাবের বিরুদ্ধেই এই নিয়ে অভিযোগ উঠেছিল।

Primary Recruitment Scam: প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের প্রাক্তন চেয়ারম্যানকে ‘মারধর’, ভিডিয়ো ভাইরাল হতেই প্রকাশ্যে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ
এই বিষয়টি নজরে আসে প্রশাসনের। এরপরেই প্রশাসনিক স্তরেও এই নিয়ে বিস্তর আলোচনা হয়। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, এই কারণের জন্যই সংশ্লিষ্ট খাতে অনুদান বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। যদিও এই নিয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক বিবৃতি পাওয়া সম্ভব হয়নি।

প্রতি মুহূর্তে নিজেকে আপডেট রাখার জন্য এবং টাটকা খবর পড়ার জন্য ফলো করুন এই সময় ডিজিটাল চ্যানেল। ক্লিক:https://whatsapp.com/channel/0029Va9zh58Gk1Fko2WtDl1A



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *