Kamduni Incident Mousumi Koyal Says The Will Fight The Battle In Supreme Court


কামদুনি মামলায় কলকাতা হাইকোর্টের রায় নিয়ো গোটা রাজ্য সরগরম। গত শুক্রবারের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিল রাজ্য সরকার। কামদুনিকাণ্ডের আসামি ও অভিযুক্তরা জেল থেকে ছাড়া পেলে রাজ্যে আইন-শৃঙ্খলার সমস্যা হতে পারে বলে জানিয়েছিলেন রাজ্যের আইনজীবী কপিল সিব্বল। কিন্তু রাজ্যের যুক্তি ধোপে টেকেনি। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশের উপর স্থগিতাদেশ জারি করেনি সুপ্রিম কোর্ট। সোমবার সন্ধেবেলাতেই প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগার থেকে মুক্তি পেয়ে যায় অভিযুক্তরা।

কামদুনিকাণ্ডে সুপ্রিম কোর্টেও ধাক্কা! হাইকোর্টের রায়ে স্থগিতাদেশ নয়, জানাল শীর্ষ আদালত
হাইকোর্টের রায়ের উপর সুপ্রিম কোর্ট স্থগিতাদেশ জারি না করায়, মন ভেঙেছে কামদুনিকাণ্ডের প্রতিবাদী মৌসুমী কয়ালের। এই সময় ডিজিটালের সঙ্গে কথা বলার সময় তাঁর গলায় ধরা পড়েছে হতাশার সুর। তবু বিচার চেয়ে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার বার্তা দিয়েছেন মৌসমুী।

এই সময় ডিজিটালের সঙ্গে কথা বলার সময় কামদুনির এই প্রতিবাদী বলেন, ‘১০ বছর ধরে তো আমরা ধাক্কা খেয়েই চলেছি। কলকাতা হাইকোর্টের রায় সব থেকে বড় ধাক্কা ছিল। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশেও আমাদের মন ভেঙেছে, খারাপ লেগেছে। হাইকোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে CID সুপ্রিম কোর্টে গেল। কিন্তু তাতেও কোনও লাভ হল না। রাজ্য সরকার বা সিআইডি যদি ১০ বছর আগে এই তৎপরতা দেখাত, তাহলে আমাদের আজকে এই রায় পেতে হত না। সুপ্রিম কোর্টেও দৌড়তে হত না।’

Kamduni Case: কামদুনির প্রতিবাদীদের সঙ্গে বৈঠকে শুভেন্দু, আইনি সাহায্যের আশ্বাস
কাঁদো কাঁদো গলায় মৌসুমী বলেন, ‘সত্যি কথা বলতে আমাদের বিশ্বাস ভেঙে গিয়েছে। আমরা সিআইডির উপর ভরসা করেছিলাম কিন্তু, সব শেষে হয়ে গিয়েছে। তবে আমরাও সু্প্রিম কোর্টে স্পেশাল লিভ পিটিশন দাখিল করব। আইনের দ্বারস্থ হওয়ার অধিকার সকলের। এবার জানি না কী হবে।’

Tollywood On Kamduni Case Verdict : ‘আমি লজ্জিত’, কামদুনির রায়ের পর মন্তব্য কৌশিকের! কী প্রতিক্রিয়া টলিউডের?
কলকাতা হাইকোর্টের রায়ে আসামিদের ফাঁসির সাজা মকুব বা জেল থেকে মুক্তির রায় আসার পর ক্ষোভে ফুঁসছে কামদুনি। অভিযুক্ত বা আসামিরা এলাকায় ফিরলে আইন শৃঙ্খলার অবনতি হতে পারে, সেই ইঙ্গিতও মিলেছে মৌসুমীর গলা। তিনি বলেন, ‘বেকসুর খালাস হলে গেলেও ওরা দোষী। যখন বাড়িতে ফিরবে তখন আইন-শৃঙ্খলার কোনও অবনতি হবে না তো? মানুষের দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গিয়েছে। তাঁর যদি আইন হাতে তুলে নেয়, তাহলে পুলিশ প্রশাসন কী করবে? এটাই এখন সব থেকে বড় প্রশ্ন। কারণ আমার কানে এমন কিছুই এসেছে। ওরা এই গ্রামে ফিরুক আমরা চাই না। রাজ্য সরকার আমাদের বিচার দিতে পারলে, আমরা শান্তি পাব। তবে লড়াই চলবে।’

ফলো করুন এই সময় ডিজিটাল। রইল হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলের লিঙ্ক :



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *