হাওড়া ব্রিজ স্তব্ধ
এদিকে সপ্তাহের অন্যান্য কাজের দিনের মতো এদিন শহরতলি থেকে প্রচুর মানুষ আসেন কলকাতায়। আর শহরে প্রবেশের ক্ষেত্রে তাঁদের অন্যতম মূল পথই হল হাওড়া ব্রিজ। কিন্তু এদিন টোটোচালকদের মিছিলে হাওড়া ব্রিজ ও সংলগ্ন ব্রেবোর্ন রোড কার্যত স্তব্ধ হয়ে গেল। সরকারি লাইসেন্স এবং জাতীয় সড়কে গাড়ি চালানোর অনুমতি, মূলত এই দুই দাবিতেই প্রায় এদিন ১৫ থেকে ১৬ হাজার টোটোচালক মিছিল করেন। তাঁদের সঙ্গে এদিন মিছিলে যোগ দিতে দেখা গেল মোটর ভ্যান চালদেরও।
ভুয়ো কেসে দেওয়ার অভিযোগ
টোটোচালকদের অভিযোগ, পুলিশ নিত্যদিন তাঁদের ভুয়ো কেস দিচ্ছে। ফলে দিনে যা উপার্জন হয়, কখনও কখনও তার থেকেও বেশি টাকা কেসের জন্যই দিতে হয়। তাঁদের আরও দাবি, রাজ্যে প্রায় ২০ লাখ টোটো চলে। তাঁদের মধ্যে কম-বেশি সকলেই পুলিশের জুলুমবাজির শিকার বলেই দাবি টোটোচালকদের। প্রসঙ্গত, রাজ্য পরিবহন দফতরের কার্যালয় ধর্মতলায়। এদিন সেই রাজ্য পরিবহন দফতরের উদ্দেশেই মিছিল এগিয়ে যান টোটোচালকরা। হাওড়া ব্রিজ থেকে ধর্মতলার দিকে এগোয় মিছিল। দিনের ব্যস্ততম সময়ে, অফিস টাইমে, টোটোচালকদের এই মিছিল কার্যত স্তব্ধ করে দেয় শহরের অন্যতম প্রবেশ পথ হাওড়া ব্রিজ। অফিস যাওয়ার পথ রীতিমতো হয়রানির শিকার হতে হয় মানুষকে। গন্তব্যে পৌঁছতে রীতিমতো দেরি হয়ে যায় তাঁদের।
প্রসঙ্গত, রাজ্যের বেআইনি টোটোর গিতিবিধি নিয়ন্ত্রণ করতে ইতিমধ্যেই কোমর বেঁধে ময়দানে নেমেছে রাজ্য পরিবহণ দফতর। বহু জায়গাতেই জাতীয় বা রাজ্যসড়কে টোটো দেখলেই চালান হচ্ছে ধরপাকড়। এরই মাঝে ব্যারাকপুর বা বারুইপুরের মতো কয়েকটি জায়গায় কিছু রুটে বন্ধ করা হয়েছে টোটো চলাচল। যার জেরে সেইসব জায়গাতেও বিক্ষোভ দেখিয়েছেন টোটোচালকরা।
টোটো সংক্রান্ত আরও খবরের জন্য ফলো করুন এই সময় ডিজিটাল চ্যানেল। ক্লিক : https://whatsapp.com/channel/0029Va9zh58Gk1Fko2WtDl1A
