পুজোয় সার্কাস
ঝাড়গ্রাম শহরের জামদা এলাকার পুর ময়দানে অনুষ্ঠিত হয়েছে উজালা সার্কাস । ট্রাপিজ থেকে ব্যালান্স, শিহরণ জাগানো সব খেলা রয়েছে এই সার্কাসের ঝুলিতে। পুজোর সময় ঠাকুর দেখার পাশাপাশি মনোরঞ্জনের বাড়তি ডোজ হতে চলেছে এই সার্কাস। বাচ্চা থেকে বুড়ো সকলেরই অত্যন্ত প্রিয় সার্কাসের খেলা। তাই পুজোর ছুটিতে হাউসফুল হবে সব শো বলে আশা সার্কাস মালিকের।
শুক্রবার সন্ধ্যা বেলায় সার্কাসের উদ্বোধন করেন রাজ্যের মন্ত্রী বীরবাহা হাঁসদা । সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ঝাড়গ্রাম জেলা পরিষদের সভাধিপতি চিন্ময়ী মারান্ডি, ঝাড়গ্রাম পুরসভার চেয়ারম্যান কবিতা ঘোষ, ভাইস চেয়ারম্যান সুখী সরেন, বিনপুর বিধানসভার প্রাক্তন বিধায়ক চুনিবালা হাঁসদা, এছাড়াও ঝাড়গ্রাম পুরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ।
নস্ট্যালজিয়ায় ভাসলেন মন্ত্রী থেকে সাধারণ মানুষ
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসে মন্ত্রী বীরবাহা হাঁসদা বলেন,’পুজোর আগে এই সার্কাসের যথেষ্ট গুরুত্ব রয়েছে । দর্শনার্থীরা প্রতিমা দর্শনের পাশাপাশি সার্কাস দেখতে পাবে এবং দূর দূরান্তের যে সমস্ত পর্যটকরা বেড়াতে এসেছে তারা ওই সার্কাসের আনন্দ উপভোগ করতে পারে।’ বীরবাহা আবেগপ্রবণ হয়ে বলেন,’সেই ছোট্টবেলায় সার্কাস দেখেছিলাম আজ বহুদিন পর আবার সার্কাস দেখার সুযোগ পেলাম।’ শুধু মন্ত্রী নন, নস্ট্যালজিয়ায় ভাসলেন সাধারণ মানুষও। নাম মাত্র খরচে পুজোয় দারুণ মনোরঞ্জনের আয়োজন ঝাড়গ্রামে।
সার্কাসের টিকিট
উজালা সার্কাসের ম্যানেজার রূপেশ কুমার সিং বলেন ,’আজ থেকে ঝাড়গ্রামের মানুষের জন্য আমরা উজালা সার্কাস শুরু করলাম। আগামী ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে । সারাদিনে তিন বার খেলা দেখানো হবে দুপুর একটা, বিকেল চারটা, সন্ধ্যা সাতটার সময় । মূল্য খুব সামান্য রাখা হয়েছে গ্যালারির জন্য ৫০ টাকা, মিডিল চেয়ারের জন্য ৭০ টাকা এবং সামনের চেয়ারের জন্য ১০০ টাকা। আমি দাবী করে বলতে পারি আমাদের সার্কাস একবার দেখতে এলে তার বারবার আসতে ইচ্ছা করবে।’ শুধু ঝাড়গ্রাম নয়, পুজোর মধ্যে আশপাশের জেলা থেকেও সার্কাস দেখতে ভিড় জমাতে পারেন সাধারণ মানুষ বলে আশা।
