বিজেপি : নবমীতে হাতে হাত শুভেন্দু-কৌস্তভের, ফের বাড়ালেন দলবদলের জল্পনা – kaustav bagchi congress leader attended durga puja invitation with suvendu adhikari creates possibility of bjp joining


জল্পনা শুরু হয়েছিল পুজোর আগেই। সেই জল্পনা আরও কিছুটা বাড়তি মাত্রা পেল নবমী তিথিতে। কংগ্রেস নেতা কৌস্তভ বাগচী কি যোগ দিচ্ছেন বিজেপিতে? জল্পনা জিইয়ে রাখলেন তিনি। পাশাপাশি, তাঁর এও মন্তব্য, ‘বিরোধী দলনেতা হিসেবে শুভেন্দু অধিকারীর গুরুত্বকে অস্বীকার করা যায় না।’

একই পুজোয় শুভেন্দু ও কৌস্তভ

নবমীর সকালে পানিহাটিতে সন্ময় বন্দ্যোপাধ্যায়-এর বাড়িতে শুভেন্দু অধিকারী এবং কৌস্তভ বাগচি। এর আগেও একাধিক মঞ্চে দু’জনকে একসঙ্গে দেখা গিয়েছে। পুজোর দিনেও ফের একত্রে মিলিত হলেন দুজনে। পুজোর নিমন্ত্রণের জন্যেই এদিন দুজনে হাজির হন তাঁরা। সৌজন্য সাক্ষাৎ, গল্প আড্ডা চলে সকলের মধ্যে। এর পেছনে কি লুকিয়ে রয়েছে কোনও রাজনৈতিক সমীকরণ? শুরু জল্পনা।

শুভেন্দু কী বললেন?

কৌস্তভ বাগচী কংগ্রেস থেকে বিজেপিতে যোগদান করা প্রসঙ্গে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘রাজ্যে তৃণমূল কংগ্রেস দলকে উৎখাত করার জন্য বিকল্প ব্যবস্থা হওয়া দরকার।’ শুভেন্দুর কথায়, ‘আমরা সবাই নো ভোট টু মমতা’র লক্ষ্যে সবাই এক। তবে কৌস্তভের সম্পর্কে তাঁর বার্তা, ‘ও যথেষ্ট শিক্ষিত ও পরিপক্ক ছেলে। ও নিজের সিদ্ধান্ত নিতে পারে। তবে নির্দিষ্ট লক্ষ্যের জন্য একটা প্ল্যাটফর্ম বেছে নিতে হয়।’

কৌস্তুভ কী বললেন?

বিজেপিতে যোগদান প্রসঙ্গে কৌস্তুভ বাগচী বলেন, ‘রাজ্যের বিরোধী দলনেতা হিসেবে শুভেন্দু অধিকারীর ভূমিকাকে কোনওভাবে অস্বীকার করা যায় না। উনি যেভাবে নেতৃত্ব দিচ্ছে সমগ্র বিরোধী রাজনৈতিক বিষয়টাকে, সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই।’ তবে কৌস্তুভের মতে, ‘রাজ্যের সরকারকে উৎখাত করার জন্য বিকল্প ব্যবস্থা দরকার আছে। এই মুহূর্তে বিজেপিতে যোগদান নিয়ে চিন্তাভাবনা আমি করছি না। কিন্তু বিকল্প ব্যবস্থা রাজ্যে হোক এটা আমি চাই।’

Suvendu Adhikari : ‘উচিত হয়নি…’, কুণালের পুজোয় রাজ্যপালের যাওয়া নিয়ে আপত্তি শুভেন্দুর
রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে একাধিক ইস্যুতে বিরোধী দলনেতা হিসেবে সরব হন শুভেন্দু অধিকারী। সমান তালে আওয়াজ তুলতে দেখা গিয়েছে কংগ্রেস নেতা ও আইনজীবী কৌস্তভ বাগচীকে। এমনকি, কেন্দ্রীয় স্তরে রাজনীতির ক্ষেত্রেও ইন্ডিয়া জোটে তৃণমূলের সঙ্গে সহাবস্থান নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তরুণ কংগ্রেস নেতা। গত ২৮ অগাস্ট ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবসের দিনেও গন্ডগোলের সূত্রপাত হয়। দলের মুখপাত্রের তালিকা থেকে বাদ যায় তাঁর নাম। প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগেই একই সঙ্গে শুভেন্দু অধিকারী ও কৌস্তভ বাগচীকে মিছিলে পায়ে পা মেলাতে দেখা যায়। রাজ্য সরকারের গ্রুপ ডি পদে চাকরিপ্রার্থীদের মিছিলে একসঙ্গে দেখা যায় তাঁদের। এরপর থেকে কৌস্তভ বাগচীর বিজেপিতে যোগদান নিয়ে জল্পনা আরও বাড়তে থাকে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *