প্রসঙ্গত, কিছু আগেই পদত্যাগ করেন পাবলিক প্রসিকিউটার শাশ্বতগোপাল মুখোপাধ্যায়। আর তারপর থেকেই আইনজীবীমহলের একংশে জল্পনা উঠতে শুরু করে যে, এবার হয়ত পদত্যাগ করতে পারেন অ্যাডভোকেট জেনারেল। আর এবার সেই খবরই পাওয়া যাচ্ছে। সেক্ষেত্রে এবার রাজ্যের প্রাক্তন অ্যাডভোকেট জেনারেল কিশোর দত্তকে আবারও এই পদে ফিরিয়ে আনা হতে পারে বলে জল্পনা শুরু হয়েছে।
প্রসঙ্গত, রাজ্যে অ্যাডভোকেট জেনারেল বা আইনজীবীদের পদত্যাগের ইতিহাস নতুন নয়। ২০১১ সালে তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পর থেকে একাধিক অ্যাডভোকেট জেনারেল, আইনজীবী বা সরকারি কৌশলী পরিবর্তিত হয়েছেন বা পদত্যাগ করেছেন। এর আগে রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল অনিন্দ্য মিত্র পদত্যাগ করেছিলেন। পদত্যাগ করেছিলেন বিমল চট্টোপাধ্যায়। আইনজীবী জয়ন্ত মিত্রও পদত্যাগ করেছিলেন। এমনকী কিশোর দত্ত অ্যাডভোকেট জেনারেলের পদ থেকে পদত্যাগ করেছিলেন। আর এবার সৌমেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়ের পদত্যাগের ঘটনায়, সেই ধারা একইভাবে অব্যাহত রয়েছে বলেই মনে করছেন আইনজীবীদের একাংশ। যদিও এই সমস্ত আইন বিশেষজ্ঞরা কেন পদত্যাগ করেছলেন তা অতীতে প্রকাশ্যে আসেনি।
এবার প্রশ্ন হচ্ছে, সৌমেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় পদত্যাগের পর রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল পদে কাকে আনা হবে? সেক্ষেত্রে আইনজীবীমহলের একাংশ মনে করছে রাজ্যের প্রাক্তন অ্যাডভোকেট জেনারেল কিশোর দত্তকে আবারও ওই পদে ফিরিয়ে আনা হতে পারে। যদিও এই বিষয়ে এখনও সরকারিভাবে কিছু জানানো হয়নি। পাশাপাশি কিশোর দত্তও পুনরায় অ্যাডভোকেট জেনারেল পদে ফিরতে চান কি না, সেই বিষয়েও কিছু জানা যায়নি।
প্রসঙ্গত, অ্যাডভোকেট জেনারেল হলেন রাজ্যের প্রধান আইনী পরমর্শদাতা। অর্থাৎ রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে কোনও মামলা দায়ের করা হলে, সেখানে রাজ্যের নীতি কী হতে পারে, বা রাজ্যের তরফ থেকে কী পদক্ষেপ করা হতে পারে, সেই বিষয়টি নির্ধারণ করেন অ্যাডভোকেট জেনারেল। তাই বর্তমানে অ্যাডভোকেট জেনারেলের পদটি ফাঁকা হয়ে যাওয়ায়, আদালতে আইনি বিষয়ে সরকার সমস্যার সম্মুখীন হতে পারে বলে মনে করছেন আইনজীবীদের কেউ কেউ।
