Diwali Crackers Sale: হোয়াটসঅ্যাপে দরদাম, বাজির হোম ডেলিভারি – kali puja diwali crackers are now available online here the full report


এই সময়: বাজি বাজার, কিউআর কোড, এই সব হার্ডল পেরিয়ে তার পরে সবুজ বাজি। কিন্তু সে বাজিতে না কি দম নেই। আর বেড়ে দামও। বাজি বিহনে তাই অনেকেই মনমরা। তবে দীর্ঘদিন ধরে যাঁরা নুঙ্গি, চম্পাহাটি কিংবা মহেশতলা থেকে থলে ভর্তি করে বাজি কিনে এনেছেন, তাঁরা অবশ্য বিন্দাস। কারণ, হাতেগরম বাজির হোম ডেলিভারি পেয়ে গিয়েছেন। দক্ষিণ শহরতলিতে প্রকাশ্যে বাজি বিক্রি হচ্ছে না। কিন্তু বাজি পৌঁছে যাচ্ছে বাড়ি থেকে স্থানীয় বিক্রেতা সকলেরই কাছে। তবে আগে থেকে ৫০ শতাংশ দাম মিটিয়ে দিতে হচ্ছে অনলাইন পেমেন্ট সিস্টেমে। গত দু’-তিন দিন ধরে শহরের প্রায় সব প্রান্তেই বিক্ষিপ্ত ভাবে বাজি ফাটছে। এটা যদি ট্রেলার হয়, তবে দীপাবলির রাতে যে পুরো পিকচার অপেক্ষা করে রয়েছে তা অনেকটাই স্পষ্ট। পুলিশ বেশ কিছু বেআইনি বাজি বাজেয়াপ্ত করলেও শব্দ দূষণের আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে।

এমনিতেই গত কয়েকদিন ধরে কলকাতার বাতাসের মান অতি খারাপ। তার পরেও বাজির তাণ্ডব হলে তা কোন দিকে গড়াবে তা সহজেই অনুমেয়। এরই মধ্যে বাজির চোরাগোপ্তা বিক্রি সেই আশঙ্কা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। কামালগাজির একটি বড় আবাসনের বেশ কয়েকজন তিন বছর আগে পর্যন্ত দল বেঁধে গাড়ি নিয়ে চম্পাহাটি যেতেন। পুলিশি কড়াকড়ি বেড়ে যাওয়ায় এখন আর সেখানে যেতে পারেন না তাঁরা। তার বদলে পরিচিত বিক্রেতা বাইকে করে তাঁদের আবাসনের গেটে পৌঁছে দিয়ে যান নিষিদ্ধ বাজি। শুধু তাই নয়, হোয়াটস অ্যাপে বাজির ছবি আর দামের তালিকা পাঠিয়ে পরে চাহিদা অনুযায়ী অর্ধেক দাম মিটিয়ে দিলে শহরের বিভিন্ন প্রান্তে সুবিধা মিলছে বাজির হোম ডেলিভারির। তবে দাম পড়ছে চড়া। সব থেকে নিম্ন মানের ১০০ চকলেট বোমের দাম ৩০০-৩৫০ টাকা, সর্বোচ্চ ৫০০-৬০০ টাকা।

Green Crackers Guidelines: সময় সীমা মেনেই ফাটাতে হবে বাজি, এই নিয়মগুলি না জানলে বিপদ!

শুধু কামালগাজিই নয়, গড়িয়া থেকে শুরু করে সল্টলেক সর্বত্রই হচ্ছে হোম ডেলিভারি। তবে চেনা ক্রেতা হাওয়া প্রধান শর্ত। কারণ, সাবধানের মার নেই। চকলেট ছাড়াও তুবড়ি-চরকি-চুটপুট মিলছে সব ধরনের বাজি। সবই বেআইনি। তবে শহরের বাজারে যে নিষিদ্ধ বাজি ঢুকে পড়েছে, তারও প্রমাণ মিলছে হাতে নাতে। তালতলা, কলেজ স্ট্রিট, বৌবাজার এলাকায় বেশ কিছু পরিচিত দোকানদার আগে থেকেই তুলে রেখেছেন চকলেট বোম। ক্রেতা-বিক্রেতা পরস্পরের পরিচিত হলেই মুহূর্তে হাত বদল হয়ে যাচ্ছে নিষিদ্ধ বাজির।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *