Puri Hotel: ৮৫ কোটি ব্যয়ে পুরীতে ‘বঙ্গনিবাস’! কতগুলি ঘর, কী কী সুবিধা থাকছে? জানুন – puri west bengal government guest house project worth rupees 85 crore will be started soon


বাঙালির প্রিয় ভ্রমণ ডেস্টিনেশন ‘দিপুদা’। দিঘা, পুরী এবং দার্জিলিঙে লেগেই থাকে পর্যটকদের ভিড়। আর পুরীতে যাতে অপেক্ষাকৃত কম খরচে থাকতে পারেন বাংলার পর্যটকরা সেই জন্য তৈরি করা হচ্ছে রাজ্য সরকারের অতিথিশালা ‘বঙ্গনিবাস’। এই প্রকল্পটিতে খরচ হতে চলেছে ৮৫ কোটি টাকা। খুব শীঘ্রই এই কাজ শুরু হতে চলেছে, সূত্রের খবর এমনটাই।

এই প্রকল্পে খরচ হচ্ছে ৮৫ কোটি টাকা। দুই বছরের মধ্যেই এই প্রকল্পের বাস্তবায়ন করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে বলে রাজ্য পূর্ত দফতর সূত্রে খবর। উল্লেখ্য, বঙ্গনিবাসের জন্য জায়গা চূড়ান্ত করেছিলেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ওডিশা সফরের সময় তিনি জায়গাটি চূড়ান্ত করেছিলেন। ভুবনেশ্বরে ওডিশার মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়েক এই প্রকল্পে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলেন এবং ২ একর জমি দিয়ে বাংলাকে সহযোগিতা করেছিলেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই পুরীর এই অতিথিশালায় নামকরণ করেছিলেন।

পুরীতে বাঙালিদের জন্য অতিথিশালা? কী বলছে রাজ্যের পূর্ত দফতর?
এই উদ্যোগ প্রসঙ্গে রাজ্যের পূর্তমন্ত্রী পুলক রায় ‘জাগো বাংলা’-কে বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নির্দেশ দেওয়ার পরেই কাজ শুরু করা হয়েছে। ২ লাখ ৩১ হাজার ৩৭২ বর্গফুট জায়গাজুড়ে এই অতিথিশালাটি তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে রেসিডেন্সিয়াল ইউনিট থাকছে ১০৩টি। প্রাথমিকভাবে খরচ করা হয়েছে ৮৫ কোটি টাকা।

এই অতিথিশালার ডিজাইনের ক্ষেত্রে দেওয়া হয়েছে বিশেষ নজর। বিষ্ণুপুরের রাসমঞ্চের স্থাপত্যের প্রতিফলন থাকবে সেখানে। এছাড়াও ধানের গোলার আদল থাকবে কারুকার্যে। পাশাপাশি থাকছে ভিআইপি ব্লকও। তা থাকবে দক্ষিণ দিকে। উত্তর ব্লকে থাকছে অন্যান্যদের থাকার জন্য জায়গা। এই অতিথিশালায় থাকবে কিচেন, ব্যাঙ্কোয়েট, প্যান্ট্রি, কনফারেন্স রুম এবং রেস্তরাঁও। এছাড়াও থাকছে গাড়ি পার্কিং করার জায়গাও।

খরচের ক্ষেত্রে কী কী সুযোগ সুবিধা থাকবে?

সমুদ্র সৈকতের সামনে এই অতিথিশালায় যাতে পর্যটকদের কোনও অসুবিধা না হয় সেই জন্য যাবতীয় দিকে নজর দেওয়া হচ্ছে। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, এই বিলাসবহুল হোটেলে থাকার জন্য কত টাকা খরচ হবে? জানা যাচ্ছে, এই অতিথিশালায় থাকার খরচ বহু বিলাসবহু হোটেলের থেকে অনেক কম হতে চলেছে। যদিও যাবতীয় পরিষেবার নিরিখে এই অতিথিশালা অনেক উন্নত হতে চলেছে।

তাৎপর্যপূর্ণভাবে ক্ষমতায় আসার পর রাজ্যের পর্যটনকেন্দ্রগুলিকে ঢেলে সাজিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দিঘায় পুরীর আদলে তৈরি করা হচ্ছে জগন্নাথ মন্দির। ইতিমধ্যেই সেই কাজ অনেকাংশে এগিয়ে গিয়েছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *