Sourav Ganguly Bengal Brand Ambassador: ‘সৌরভকে চিনতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এতো বছর লাগল?’ ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর ইস্যুতে কটাক্ষ দিলীপের – dilip ghosh takes a dig on mamata banerjee after selecting sourav ganguly as west bengal brand ambassador


বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলনের মঞ্চ থেকে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নয়া ঘোষণা। বাংলার ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর হিসেবে মুখ্যমন্ত্রী বেছে নিলেন মহারাজকে। নিউটাউনে বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারে নয়া পরিচয় পেলেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। বাংলার নয়া ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর হিসেবে ঘোষিত হল সৌরভের নাম। এরপরই বিরোধীদের নিশানায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। প্রবল কটাক্ষ দিলীপ ঘোষের।

বুধবার সকালে নিউটাউন ইকোপার্কে প্রার্তভ্রমণে আসেন বিজেপি সাংসদ দিলীপ ঘোষ। সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তীব্র কটাক্ষ বিজেপি সাংসদের। বাংলার নতুন ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর হিসেবে সৌরভের নাম ঘোষণা নিয়ে প্রবল কটাক্ষের সুরে তিনি বলেন, ‘সৌরভ কে চিনতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এতো বছর লাগল? নাকি খুঁজে পাচ্ছিলেন না। ঘর কা মুরগি ডাল বরাবর? ত্রিপুরা সরকার তাঁকে আগে ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর করে দিয়েছে। ও বাংলার ক্রিকেটের জন্য এতো করেছেন। তাঁকে চিনতে ওঁর এতো বছর লেগে গেল? আমার মনে হয় শাহরুখের এখন বাজার নেই। তাই সৌরভের হাত ধরে বৈতরণী পার হওয়ার চেষ্টা।’

এখানেই শেষ নয়, বিদেশ সফরে ও বিশ্ব বঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের উপস্থিতি নিয়েও সমালোচনার সুর দিলীপ ঘোষের গলায়। বিজেপি সাংসদ বলেন, ‘কেউ নতুন কথা কিছু বলেনি। উনিও আগে যা বলতেন তাইই বলেছেন। সৌরভও তাই। তাজপুর বন্দরের একটা পাথর ও গাঁথা হয়নি। কে করবে? কত টাকার প্রোজেক্ট কেউ জানেনা। দেউচা পাঁচামির কথা বলেছেন। এক কোদাল মাটিও খোঁড়া হয়নি। আদৌ ওর ভিতর কয়লা আছে কিনা কেউ জানে না। কোন কোম্পানি করবে? কোনও টেন্ডারই হয়নি। উনি এই গল্প শুনিয়ে যাচ্ছেন। সবটাই ভবিষ্যতের গর্ভে আছে। উনি ক্ষমতায় থাকাকালীন এগুলো কিছুই হওয়ার সম্ভাবনা নেই। সৌরভ যা বলেছেন, সেটাও আকাশে আছে। আগে বিনিয়োগ হোক। খালি প্রচার করে কোনো লাভ নেই।’

Sourav Ganguly: ‘এত ব্যস্ততার সত্ত্বেও মুখ্যমন্ত্রী এক মিনিটে রিপ্লাই দেন, আমার খোঁজ নেন…’, মমতার স্নেহে আপ্লুত সৌরভ
হিন্ডেনবার্গ রিপোর্ট থেকে মহুয়া বিতর্ক। আদানির সঙ্গে রাজ্য সরকারের সম্পর্ক তিক্ত হওয়ার জল্পনা ও আদানির থেকে তাজপুর বন্দরের বরাত কেড়ে নেওয়া প্রসঙ্গে সরব সাংসদ। বলেন, ‘আদানি নিয়েছিলেন, কিন্তু সেখানকার মাটির ফিট সার্টিফিকেট আসেনি। আদৌ বন্দর করা যাবে কিনা, তাইই বোঝা যাচ্ছে না। জলে কে টাকা ফেলতে চায়। ওঁর থেকে কেড়ে নিলেন। দেবেন কাকে? সবই তো গভীর জলে পড়ে আছে।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *