রবিবার তাঁরা একটি রক্তদান শিবিরের আয়োজন করলেন ভাঙড়ের কাশীপুর কিশোর ভারতী স্কুল প্রাঙ্গনে। সেই শিবিরে যোগদান করতে ক্যানিং, কুলপি, ডায়মন্ডহারবার, বসিরহাট, বনগাঁ থেকে বহু মানুষ ছুটে আসেন। কেউ রক্ত দিতে, কেউ স্বেচ্ছাসেবক হতে। দিনের শেষে ৭০ জন রক্ত দেন। পরিবেশ বাঁচাতে রক্তদাতাদের হাতে একটি করে ফলের চারাগাছ তুলে দেওয়া হয়।
গ্রুপের অ্যাডমিন ইন্তিয়াজ মোল্লার কথায়, ‘আমরা শুধু এলাকার ভালো-মন্দ, সমস্যা-প্রয়োজনের কথা তুলে ধরি না। আমরা এলাকাবাসীর যে কোনও বিপদে পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করি। কিছুদিন আগেই ভাঙড়ের জাগুলগাছি এলাকার ক্যান্সার আক্রান্ত ছাত্র, আট বছরের প্রলয় মণ্ডলের অসুখের কথা জানতে পেরে তার পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছিল এই গ্রুপ।’
ভাঙড়ে রাজনৈতিক নেতাদের দাপট থাকলেও এ দিনের রক্তদান শিবির করা হয়েছে রাজনৈতিক ব্যক্তিদের সম্পূর্ণ দূরে রেখে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এলাকার কবি, সাহিত্যিক, সাংবাদিক ও সমাজসেবীরা। অনুষ্ঠানে সহায়তা করতে বসিরহাট ইটিন্ডা থেকে চিকিৎসক রহিম মোল্ললা, সোনারপুর থেকে শিক্ষক সৈকত মণ্ডল এমনকী ঢাকা থেকে রামিশা সুলতানার মত কলেজ পড়ুয়া ছুটে এসেছিলেন কাশীপুরে। গ্রুপের অন্যতম সদস্য তাজমিরা খাতুন বলেন, ‘সংসার-বাচ্চা সামলেও এমন একটা গ্রুপের মাধ্যমে সমাজসেবার কাজ করতে পেরে ভালো লাগছে।’ মাত্র আট মাস বয়স এই গ্রুপের।
