Orange : আম রাজত্বে এবার বাগান জুড়ে কমলালেবু! অবাক করলেন মালদার দীপক – malda farmer surprised making orange garden at his house


আম বললেই যে জেলার নাম মাথায় আসে, সেটি হল মালদা। গোটা বিশ্বের কাছে মালদার আম সমাদৃত। তবে এবার মালদাতেই সফলভাবে কমলালেবুর চাষ করে তাক লাগিয়ে দিলেন এক যুবক। প্রশিক্ষণ ছাড়াই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিয়ো দেখে কমলালেবু ফলিয়ে সকলকে অবাক করে দিয়েছেন দীপক রাজবংশী।

কী জানা যাচ্ছে?

এবার আমের জেলায় কমলালেবুর চাষ করে সফল হলেন যুবক। চার বছর কঠোর পরিশ্রম করে গাছে ফলন এসেছে। কোথাও কোনও প্রশিক্ষণ ছাড়াই, শুধুমাত্র বিভিন্ন সোশ্যাল মাধ্যমে ভিডিয়ো দেখে গাছের পরিচর্যা করার পদ্ধতি শিখেই বাজিমাত। ব্যাপক ফলন হয়েছে কমলার। খেতেও মিষ্টি। অনান্য কমলা লেবুর মতোই টেস্ট। তাই বাজারে বিক্রিও হচ্ছে।

বাণিজ্যিক চাষ কমলালেবুর

এই প্রথম মালদায় বাণিজ্যিকভাবে কমলা লেবুর চাষ সফল। এতদিন জেলার বিভিন্ন প্রান্তের কিছু মানুষ সখে, ছাদ, বাগানে বা টবে কমলার চাষ করেছেন। জমিতে বাগান তৈরি করে নজির গড়লেন পুরাতন মালদার গোয়ালপাড়া গ্রামের বাসিন্দা দীপক রাজবংশী। এই বছর তাঁর বাগানে প্রায় দেড় কুইন্টাল কমলালেবু ফলেছে। বাগানে গাছ রয়েছে মোট নয়টি।

সঠিক পরিচর্যায় শুরু ফলন

কৃষক পরিবারের ছেলে দীপক রাজবংশী। ছোটবেলা থেকেই দেখে এসেছেন বাড়িতে গতানুগতিক চাষবাস। কিন্তু ধান গম আলু চাষে তেমন লাভ নেই। তাই ছোটবেলা থেকেই ফল চাষের প্রতি ঝুঁকে পড়েছেন। চার বছর আগে ভিন জেলা থেকে দশটি কমলালেবুর চারা কিনে নিয়ে আসেন। পরীক্ষামূলক ভাবে চাষ করার উদ্যোগ গ্রহণ করেন। তৃতীয় বছর থেকেই ফল ধরতে শুরু করে। কিন্তু সে সময় ফলন ভাল হয়নি। চার বছরের মাথায় সঠিক পরিচর্যা করে ফলন এসেছে ভাল। কিন্তু তার বাগানে ফলানো কমলালেবু সাইজে অনেকটাই ছোট। সাধারণ কমলার মতন সাইজের কীভাবে করা যাবে সেই নিয়ে এখন তিনি পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালাচ্ছেন। তবে তিনি আশাবাদী কিছু পরিচর্যা গত পরিবর্তন নিয়ে আসলেই কমলার আকার বৃদ্ধি পাবে।

Brinjal Cultivation : ওজনে প্রায় ২ কিলো! ‘বাদশাহি বেগুন’ ফলিয়ে তাক লাগাচ্ছেন মালদার চাষি
বিক্রিও হচ্ছে লেবু

তবে মালদার মাটিতেও যে কমলালেবু বাণিজ্যিক ভাবে চাষ করা যেতে পারে তার দিশা দেখাচ্ছেন পুরাতন মালদার দীপক। এই বছর জেলার ফল বিক্রেতারা তার কাছ থেকে ৩০ থেকে ৩৫ টাকা কেজি দরে কমলা কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। বিক্রি হচ্ছে বলেই তাঁরা কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। এতেই কমলা চাষে নতুন আশা দেখছেন দীপক রাজবংশী। তাই এ বছর তিনি মহারাষ্ট্র থেকে আরও দশটি কমলালেবুর চারা নিয়ে এসেছেন। সে গাছগুলির ও পরিচর্যা শুরু করেছেন।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *