Election Commission Of India : ভোটে অফিসারদের বদলি বিধি নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত কমিশনের, প্রস্তুতি শুরু CEO অফিসে – election commision of india given important instructions about transfer order for polling officers


লোকসভা নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে জোরকদমে। আর কয়েক মাসের মধ্যেই দেশ জুড়ে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনের পরীক্ষা। তার আগেই ভোটের ডিউটি ইস্যুতে নেওয়া হল বড় সিদ্ধান্ত। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে রাজ্যে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক।

কী প্রস্তুতি শুরু?

কমিশনের নতুন নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, একই জেলায় যাঁরা গত তিন বছর ধরে কাজ করছেন, তাদের অন্যত্র সরিয়ে দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। পাশাপাশি এটাও জানানো হয়েছে, ভোট কর্মীদের তাঁদের নিজের জেলায় কোনওভাবেই কাজে লাগানো যাবে না। অর্থাৎ যে জেলার অধীনস্থ বাসিন্দারা তাঁরা, তাঁদের জেলায় লোকসভা নির্বাচনে কোনওভাবেই ভোটের ডিউটি দেওয়া যাবে না। পাশাপাশি, ভোট কর্মীদের উপর কড়া নজরদারি চালানো হবে বলেও জানানো হয়েছে। ভোটের ডিউটিতে রিটার্নিং অফিসার, পর্যবেক্ষক, সিইও এবং ডিইও’র দায়িত্ব দেওয়া হবে, তাঁদের উপর নজরদারি চালাবে কমিশন।

পলিটিক্যাল কানেকশন নিয়ে নিষেধাজ্ঞা

ভোট কর্মীদের রাজনৈতিক দলের সঙ্গে কোনও যোগাযোগ আছে কিনা সেটাও দেখা হবে। সেক্ষেত্রে, ভোটের ডিউটি যাঁদের পড়বে, তাঁদের মুচলেকা দিয়ে জানাতে হবে, তাঁরা কোনও আত্মীয় স্বজন নির্বাচনে লড়ছেন না।

কাঁদের জন্য বদলি প্রযোজ্য

অতিরিক্ত জেলাশাসক, সাব ডিভিশনাল ম্যাজিস্ট্রেট, ডেপুটি কালেকটর, জয়েন্ট কালেকটর, বিডিওদের ক্ষেত্রে এই বদলি বিধি কার্যকর করা হবে। অর্থাৎ, কোনওভাবেই এক জায়গায় তিন বছরের বেশি ডিউটি নয়। পাশাপাশি, জেলা নির্বাচন অফিসার, ডেপুটি জেলা নির্বাচন অফিসার, রিটার্নিং অফিসারদের এই বদলি বিধি মেনে চলতে হবে। পুলিশের পদাধিকারীদের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য। এডিজি, আ‌ইজি, ডিআইজি, এসপি, অ্যাডিশনাল এসপি, ইন্সপেক্টর, সাব ইন্সপেক্টর, সার্জেন্টদের ক্ষেত্রে এই নিয়ম মেনে চলতে হবে। তবে ইঞ্জিনিয়ার, শিক্ষক, কলেজ অধ্যাপকদের এই নিয়মের বাইরে রাখা হয়েছে।

Bullet Proof Car : নয়া বুলেটপ্রুফ গাড়ি প্রয়োজন! নিরাপত্তা উপদেষ্টার অফিস থেকে নবান্নে গেল প্রস্তাব
ইতিমধ্যে, জাতীয় নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি নরেন্দ্র ভুতোলিয়া এ বিষয়ে রাজ্যগুলিকে নির্দেশিকা দিয়েছে। রাজ্যে নিযুক্ত মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক সেই অনুযায়ী পদক্ষেপ গ্রহণ শুরু করে দিয়েছেন।পাশাপাশি, রাজ্যের মুখ্য সচিবকে চিঠি দিয়েও বিষয়টি জানিয়েছেন জাতীয় নির্বাচন কমিশন। ভোটের ডিউটি দেওয়ার ক্ষেত্রে যাতে এই নিয়ম পালন করা হয় সে ব্যাপারে স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে লোকসভা নির্বাচন কবে সংগঠিত হবে, সে ব্যাপারে এখনও কিছু ইঙ্গিত মেলেনি। মার্চ, এপ্রিল মাস নাগাদ নির্বাচন হওয়ার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *