কী জানা যাচ্ছে?
নন্দীগ্রামের প্রিয়া নগরী সমবায় কৃষি উন্নয়ন সমিতি লিমিটেড নির্বাচন রয়েছে আগামী ২১ জানুয়ারি। নন্দীগ্রাম-১ ব্লকের হরিপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে অধীনে রয়েছে এই সমবায় সমিতি। সেই সমিতির নির্বাচনেই কিছুটা আলগা দেখাল তৃণমূলের স্থানীয় স্তরের সংগঠনকে। সমবায় নির্বাচনের প্রতিটি আসনে প্রার্থীই দিতে পারল না রাজ্যের শাসক দল। এদিন, তাঁদের নাকের ডগায় সবকটি আসনেই প্রার্থী দিতে সক্ষম বিজেপি।
সমবায় নির্বাচনের চিত্র কেমন?
প্রিয়া নগরী সমবায় কৃষি উন্নয়ন সমিতির পরিচালক মণ্ডলীর সদস্য নির্বাচনের জন্য মোট ১২টি আসনে ভোট রয়েছে। এর মধ্যে ১২টিতেই প্রার্থী দিয়েছে বিজেপি। ১০টিতে শেষমেষ প্রার্থী দিতে পেরেছে তৃণমূল। চারটি আসনে প্রার্থী দিয়েছে বামেরা। মোট ভোটার রয়েছে ৬৬০ জন। গত বুধবার ছিল মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন। অথচ, শেষ মুহূর্তেও ১০টি আসনে প্রার্থী দিয়ে থামতে হয়েছে তৃণমূলকে।
জানা গিয়েছে, এই সমবায় সমিতিতে দীর্ঘদিন ধরেই নির্বাচন হতো না পরিচালক মণ্ডলীর জন্য। আলোচনা করেই নির্ধারণ হত। এরপর সমবায় সমিতি পরিচালনার জন্য স্পেশাল অফিসার নিয়োগ করা হয়েছিল কিছুদিনের জন্য। এই প্রথম সমবায় সমিতিতে নির্বাচন হতে চলেছে।
তবে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের বক্তব্য, ওই আসনগুলিতে সম্মুখ সমরে লড়াইয়ের জন্য কোনও প্রার্থী পাওয়া যায়নি। সেই কারণে প্রার্থী দিতে পারেনি শাসক দল। তবে গত পঞ্চায়েত নির্বাচনের চিত্রটা বলছে, নন্দীগ্রামের ১ ও ২ ব্লকে একাধিক আসন দখল করেছে বিজেপি। দুই ব্লকের ১৭টি পঞ্চােতের মধ্যে ১১টি গিয়েছে বিজেপি জিতে নিয়েছে। সেখানে নন্দীগ্রামের অনেকটাই মাটি হারাতে শুরু করে তৃণমূল কংগ্রেস।
স্থানীয় বিজেপি নেতার বক্তব্য, নন্দীগ্রামের মানুষকে ভোটে ব্যবহার করে উঠেছিল তৃণমূল। কিন্তু মানুষ এখন বুঝে গিয়েছে। তাই ওদের উপর মানুষের আর সমর্থন নেই। পায়ের তলা থেকে মাটি সরে যাচ্ছে। সেই কারণে সমবায় সমিতির নির্বাচন কেন, আগামী লোকসভা নির্বাচনেও বেগ পেতে হবে শাসক দলকে।
