Birbhum Police : অনুব্রত গড়ে পুলিশ মহলে বড় রদবদল, একাধিক থানার OC বদলি – birbhum police several officers transfer order issued on sunday


লোকসভা নির্বাচনের আগে বীরভূম জেলা পুলিশে বড় রদবদল। বীরভূম জেলার একাধিক থানার ওসি বদলির নির্দেশ দেওয়া হল। রবিবার এই মর্মে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। বদলি করা হলো ১৪ টি থানার ওসি ও ২ টি ফাঁড়ির দায়িত্ব প্রাপ্ত অফিসারকে ।

বীরভূম পুলিশের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, নলহাটি, কীর্ণাহার, সদাইপুর, লোকপুর, মুরারই, দুবরাজপুর সহ একাধিক থানার ওসিকে বদলির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এক থানা থেকে অন্য থানায় স্থানান্তরের নির্দেশ জারি করা হয়েছে। এক থানা থেকে অন্য থানায় স্থানান্তরের নির্দেশ জারি করা হয়েছে। এর আগে রাজ্য পুলিশের একাধিক পদে রদবদল করা হয়েছিল। রাজ্য পুলিশের পাশাপাশি, এবার বীরভূম জেলা পুলিশেও রদবদল করা হল।

Birbhum Police Order

লোকসভা নির্বাচনের আগে নিয়মমাফিক একাধিক আমলা, পুলিশ কর্তাদের স্থানান্তরিত করা হয়। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী, একই পদে তিন বছরের বেশি সরকারি কর্মচারীদের রাখার নিয়মে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। বীরভূম জেলা পুলিশে এই বদলির নির্দেশ রুটিনমাফিক করে হয়েছে বলেই দাবি করা হয়েছে।

দুদিন আগেই রাজ্য পুলিশের ২৮৫ জন অফিসারকে বদলির নির্দেশও দেওয়া হয়। এর আগে গত ১৫ জানুয়ারি রাজ্য পুলিশের একাধিক পদে রদবদলের নোটিশ জারি করা হয়। উত্তর থেকে দক্ষিণবঙ্গে সব মিলিয়ে মোট ১৯৫ অফিসারকে বদলির নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। ধাপে ধাপে প্রায় সব জেলার পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের স্থানান্তর করার নির্দেশ দেওয়া হয়।

West Bengal Police : মোবাইল ঘাঁটাঘাঁটিতে বাড়ছে অন্যমনস্কতা, VVIP-র নিরাপত্তায় কড়া নির্দেশ রাজ্য পুলিশের
প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগেই জাতীয় নির্বাচন কমিশন একটি নতুন নির্দেশিকা জারি করেছিল। সেই নির্দেশিকা রাজ্যে নিযুক্ত মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। সেইমতো রাজ্য প্রশাসনকে লোকসভা নির্বাচনের আগে আমলা থেকে পুলিশ সমস্ত ক্ষেত্রেই তিন বছরের অধিক পদাধিকারীদের বদলির ব্যাপারে নির্দেশ জারি করা হয়। ২০২৪ সালের ৩০ জুনের মধ্যে একই পদে থাকা সরকারি অফিসারদের স্থালনন্তর করার নির্দেশ দেওয়া হয়।
তবে লোকসভা নির্বাচনের দিক থেকে বীরভূম যথেষ্ট সংবেদনশীল জেলা। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে এবং পরে এই জেলা থেকে বোমা উদ্ধারের ঘটনা, হিংসার ঘটনা লেগেই থাকে। বীরভূম জেলার একাধিক জায়গায় রাজনৈতিক অশান্তির ঘটনাও ঘটে থাকে নিত্য নৈমিত্তিক হারে। সেক্ষেত্রে নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয় এবং লোকসভা নির্বাচনের আগে সাধারণ মানুষের সুরক্ষা প্রদানের দায়িত্ব রয়েছে পুলিশের কাঁধে। কয়েক সপ্তাহ আগেই রাজ্য পুলিশের ডিজি পদে নিয়ে আসা হয়েছে রাজীব কুমারকে। একটি সরকারি অনুষ্ঠান থেকে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়ে দেন, ‘আশা করি, রাজীবের নেতৃত্বে পুলিশ বিভাগ ভালো কাজ করবে।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *