CPIM : তৃণমূলের ব্রিগেডের দিনই পাল্টা সভা চায় সিপিএম – cpm wants to hold a rally in sandeshkhali on the trinamool brigade rally day


এই সময়: তৃণমূলের ব্রিগেড সমাবেশের দিনেই সন্দেশখালিতে সমাবেশ করতে চাইছে সিপিএম। সন্দেশখালিতে আগামী ১০ মার্চ সমাবেশ করতে চেয়ে জেলা পুলিশ-প্রশাসনকে চিঠি দিয়েছেন সিপিএম নেতৃত্ব। যদিও সোমবার সন্ধে পর্যন্ত সমাবেশের অনুমতি পায়নি বামেরা।সিপিএমের রাজ্য কমিটির সদস্য পলাশ দাসের বক্তব্য, ‘সন্দেশখালি দ্বীপেই আমরা সমাবেশ করতে চাইছি। এটা সন্দেশখালি-২ নম্বর ব্লকের অন্তর্গত। পুলিশ-প্রশাসন যদি অনুমতি না দেয়, তখন বিকল্প রণকৌশল ঠিক করা হবে।’ সন্দেশখালির পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসন কিছু কিছু জায়গায় ১৪৪ ধারা জারি করছে। এই পরিস্থিতিতে সেখানে বামেদের সভার অনুমতি দেওয়া হবে কি না, তা স্পষ্ট নয়।

এই সমাবেশের আগে আগামী ২৯ তারিখ সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিমের নেতৃত্বে বামফ্রন্টের নেতারা সন্দেশখালি যাচ্ছেন। এই কর্মসূচির পর বসিরহাটে জেলা পুলিশ সুপারের অফিস অভিযানের ডাক দিয়েছে সিপিএমের যুব সংগঠন ডিওয়াইএফআই। মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়ের নেতৃত্ব বাম যুবরা ওই দিন বড় জমায়েত করতে চাইছে।

ধাপে ধাপে এই কর্মসূচিগুলির পরেই সন্দেশখালিতে সিপিএম সমাবেশ করতে চাইছে। যদিও তৃণমূলের অভিযোগ, বিজেপির ‘বন্ধু’ হিসেবে সন্দেশখালিতে গিয়ে প্ররোচনা দিতে চাইছে সিপিএম। তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের টার্গেট করা হচ্ছে। সন্দেশখালির প্রাক্তন সিপিএম বিধায়ক নিরাপদ সর্দার এখন জেল হেফাজতে রয়েছেন। বাম বিধায়ক থাকা সত্ত্বেও শেখ শাহজাহান নিয়ে সিপিএম অতীতে কেন অভিযোগ করেনি, এই প্রশ্ন তুলেছে তৃণমূল।

দলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষের কথায়, ‘নিরাপদ সর্দার কি কখনও সাংবাদিক সম্মেলন করে কোনও অভিযোগ করেছিলেন? লিখিত কোনও অভিযোগ করেছিলেন?’ আলিমুদ্দিন স্ট্রিটের বক্তব্য, নিরাপদ বিধায়ক থাকার সময়েই সন্দেশখালিতে শেখ শাহাজাহানের নেতৃত্বে জমি দখল-সহ বিভিন্ন অনিয়ম হচ্ছে, তা বিধানসভার ভিতরেই উল্লেখ করেছেন।

Abhishek Banerjee : ‘…প্ররোচনা দিতে চাই না!’ সন্দেশখালি কবে যাবেন? ঘোষণা অভিষেকের

বিধানসভার একটি কার্যবিবরণী সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করেছেন সিপিএমের রাজ্য কমিটির সদস্য গৌরাঙ্গ চট্টোপাধ্যায়। সিপিএম নেতৃত্বের দাবি, নিরাপদ বিধানসভায় বলেছিলেন, ‘কয়েকজন দুষ্কৃতী, তৃণমূলের নির্বাচিত প্রতিনিধি হঠাৎ করে একটি গ্রামের মধ্যে যায় এবং মহিলাদের উপরে আক্রমণ করে। সেখানে কয়েকজন বাধা দিতে এলে তাঁদের উপরে লাঠিচার্জ করা হয়। থানায় গিয়ে অভিযোগ দায়ের করার চেষ্টা করা হলেও থানা থেকে তাঁরা ভালো ব্যবহার পাননি। এই বিষয়টি দেখার জন্য আমি দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।’
যদিও রাজ্যের মন্ত্রী ব্রাত্য বসু এ দিন তৃণমূল ভবনে বলেন, ‘নিরাপদ সর্দার কি লিখিত ভাবে কিছু জমা দিয়েছিলেন? কলিং অ্যাটেনশন জমা দিয়েছিলেন?’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *