Shilda EFR Camp Firing: শিলদা ক্যাম্পে হামলায় প্রাণ হারান ২৪ ইএফআর জওয়ান, ২৪ জনকে দোষী সাব্যস্ত করল আদালত


চম্পক দত্ত: প্রায় দেড় দশক আগে মেদিনীপুরের শিলদায় এক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে থাকা ইএফআর ক্যাম্প আচমকাই হামলা চালায় মাওবাদীরা। ভয়ংকর সেই হামলা নাড়িয়ে দিয়েছিল গোটা রাজ্যকে। হামলায় প্রাণ হারিয়েছিলেন ২৪ জন জওয়ান। সেই মামলায় ২৪ জনকে দোষী সাব্য়স্ত করল মেদিনীপুর জেলা আদালত।

আরও পড়ুন-‘সন্দেশখালি যাইনি, আমি অঞ্চল সভাপতি নই, বিধায়ক’! হাসপাতাল থেকে ভিডিয়ো বার্তা অজিত মাইতির

২০১০ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি শিলদার ইএফআর ক্যাম্পে আগুন ধরিয়ে দেয়ে মাওবাদীরা। শুধু তাই নয় ক্য়াম্প ঘিরে নির্বিচারে গুলি চালায় তারা। মোট ২৪ জন জওয়ান ওই হামলায় প্রাণ হারিয়েছিলেন। আহত হয়েছিলেন অনেকে। ইএফআরের পাল্টা গুলিতে মৃত্যু হয় ৫ মাওবাদীর। এনিয়ে আজ সরকারি আইনজীবী দেবাশীষ মাইতি বলেন, সরকারি আইনজীবী বলেন, আজ বিচারক ওদের দোষী সাব্যস্ত করলেন। শিলদা ঘটনায় অভিযুক্ত ছিলেন ২৪ জন। ইউএপিএ-সহ একাধিক ধাকায় তাদের দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। মোট ৭০ জন ওই মামলায় সাক্ষী ছিলেন। ধাপে ধাপে চার্জশিট দেওয়া হয়েছে ২০১২, ২০১২ ও ২০১৪ সালে। অভিযুক্ত ছিলেন মোট ২৬ জন। তাদের মধ্যে ১ জনের মৃত্যু হয়েছে।  আজ দোষীসাব্যস্ত ২৪ জনই হাজির ছিলেন। আজ তাদের দোষী সাব্যস্ত করা হল। সাজা ঘোষণা হবে পরশু দিন। হামলায় যারা আহত হয়েছিলেন তাদের মধ্যে ২ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন।

গুলি চালনার ওই ঘটনার পরই পরই শিলদায় ইএফআর ক্যাম্প তুলে দেওয়া হয়েছিল। সেই ইএফআর ক্যাম্পের অদূরে করা হয় রাজ্য পুলিসের স্ট্রাকো ক্যাম্প। স্ট্রাকো ক্যাম্পে ২৪ জন শহীদ জওয়ানদের স্মৃতিতে লাগানো হয়েছিল মেহগনি গাছ। জঙ্গল মহলে মাওবাদী হামলায় এত নৃশংস হত্যা এর আগে কখনো হয়নি।

ঘটনার দিন অর্থাত্ ১৫ ফেব্রুয়ারি রাত্র ৯ টা নাগাদ ওই ক্যাম্পে হামলা চালায় সশস্ত্র মাওবাদীরা। একের পর এক জওয়ানকে নৃসংসভাবে গুলি করে ক্যাম্পে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। এই ঘটনায় গুরুতর আহত হয় দুই জওয়ান। লুট হয় পুলিসের অস্ত্র। এর পরেই শুরু হয় পুলিসের তদন্ত। এই মামলার মোট ২৪ জন মাওবাদীর বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে। এই মামলায় প্রথম মাও নেতা রঞ্জন মুন্ডাকে গ্রেফতার হয় তার একের পর এক মাও নেতা-নেত্রীকে গ্রেফতার করা হয়। অধরা ছিলেন নেত্রী  সুচিত্রা মাহাত। তিনি পরে পুলিসের কাছে আত্মসমর্পণ করেন।

প্রথমে এই মামলা শুরু হয় ঝাড়গ্রাম আদালতে পরবর্তীতে সেই মামলার শুনানী শুরু হয় পশ্চিম মেদিনীপুরের জেলা আদালতে। সেই মামলারই  আজ মেদনীপুর আদালতে অভিযুক্তদের দোষী সাব্যস্থ করা হয়। ধৃত ছিল মোট ২৬ জন।এর মধ্যে সুদীপ চোংদার মারা যায়। একজন জুভেইনাল কোর্টে রয়েছে। বাকি দের মধ্যে ১০ জন জামিনে ছিল। বাকি জেলবন্দি ছিল ১৪ জন। আজ সবাই হাজির ছিল আদালতে।

(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, লাইফস্টাইল স্বাস্থ্য, প্রযুক্তির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের AppFacebookWhatsapp ChannelX (Twitter)YoutubeInstagram পেজ-চ্যানেল)





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *