Partha And Arpita : ‘পার্থ-অর্পিতার সম্পর্ক কী?’ বিচারপতির প্রশ্নে জবাব আইনজীবীর – calcutta high court wants to know about partha chatterjee and arpita mukherjee relation


‘অর্পিতা মুখোপাধ্যায় পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কে?’ নিয়োগ দুর্নীতিতে ধৃত পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের জামিনের মামলায় আইনজীবীর কাছে এমনটাই জানতে চাইল কলকাতা হাইকোর্ট। জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার হাইকোর্টে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের আইনজীবী দাবি করেন, নিম্ন আদালতে যে চার্জশিট পেশ করেছে ইডি সেখানে নাম নেই পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের। খালি অন্যান্য অভিযুক্তদের সূত্রে তাঁকে দোষী সাজান হচ্ছে। অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে ব্যবসায়ীক যোগাযোগের সূত্র দেখিয়ে পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে দোষী সাব্যস্ত করা যায় না। আদালতে এমনটাই বারংবার করে দাবি করলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের আইনজীবী। এমনকী পার্থ চট্টোপাধ্যায় নির্দোষ বলে বারবার দাবি করেন তিনি। আইনজীবীর দাবি, পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে এখনও ইডি তেমন কিছু খুঁজে পায়নি যা নিয়োগ দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত।এদিন ইডির তরফে একটি রিপোর্ট জমা করা হয়েছে আদালতে। অন্যদিকে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের আইনজীবী সন্দীপন গঙ্গোপাধ্যায়ও একটি নোট জমা দিয়েছেন। সেই নোটে তিনি জানান, পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বয়স বর্তমানে ৭২ বছর। তিনি এক বছর ৭ মাস ধরে জেলে রয়েছেন। তাঁর বিরুদ্ধে কোনও প্রমান নেই। কিছু কোম্পানির নাম ছাড়া আর কিছু পাওয়া যায়নি তাঁর বিরুদ্ধে।

সন্দীপন গঙ্গোপাধ্যায় আরও বলেন, ‘আমার মক্কেলের অর্পিতার সঙ্গে একটা ব্যবসায়ীক সম্পর্ক ছিল তা অস্বীকার করছি না। কিন্তু তার মানে এই নয় তাঁর কাছে টাকা বা সম্পত্তি রেখেছিলেন। ২০১২ সালে কেনা অপা নামে একটা সম্পত্তির উল্লেখ করা হয়েছে ইডির রিপোর্টে। কিন্তু তার সঙ্গে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির যোগ কোথায়? মোট প্রায় ৫০ কোটি টাকা কিছু গহনা সহ উদ্ধার হয়েছিল অর্পিতার ফ্ল্যাট থেকে। টাকা উদ্ধার হয়েছে অর্পিতার ফ্ল্যাট থেকে। কিন্তু সেটা আমার মক্কেলের কে বলল? প্রমান কোথায়? ইডি প্রমান করতে পেরেছে?’

পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের কা সম্পর্ক বিচারপতি জানতে চাইলে, আইনজীবী জানান, ‘কাকা। তিনি বলেন, ‘কিছু লাইফ ইনসিয়োরেন্স পলিসি উদ্ধার হয়েছিল, ব্যাবসায়ীক কারণে যেগুলি করা। আর অর্পিতার সঙ্গে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের যোগাযোগ ছিল মানেই যে টাকা উদ্ধার হয়েছে তা পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের? প্রমান কোথায়?’

পার্থর হয়ে সওয়াল করতে গিয়ে আইনজীবী বলেন, ‘২০১২ সালে দুটি সম্পত্তি কেনা হয় অপার নামে, আমার মক্কেল পার্টনার ছিলেন। ৩৯ টি এলআইসি পলিসিতে আমার মক্কেল নমিনি। এছাড়া রাজ্য সরকারের একটা ডাইরি যেখানে অর্পিতার সঙ্গে আমার মক্কেলের যোগ রয়েছে, সেটা উল্লেখ করা হয়েছে। কিন্তু তা দিয়ে আমার মক্কেলের দোষ প্রমাণ করা যায় কি? অর্পিতার সঙ্গে যোগ দেখিয়ে আমার মক্কেলকে দোষী প্রমাণিত করার চেষ্টা হচ্ছে, তাই আমার মক্কেলকে এই মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া উচিত।’ আইনজীবীর দাবি, ‘পার্থ চট্টোপাধ্যায় অনেক মানুষকেই চেনেন, তার মানে এই নয় তাঁদের সব দায় বা দোষ পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের!’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *