সন্দীপন গঙ্গোপাধ্যায় আরও বলেন, ‘আমার মক্কেলের অর্পিতার সঙ্গে একটা ব্যবসায়ীক সম্পর্ক ছিল তা অস্বীকার করছি না। কিন্তু তার মানে এই নয় তাঁর কাছে টাকা বা সম্পত্তি রেখেছিলেন। ২০১২ সালে কেনা অপা নামে একটা সম্পত্তির উল্লেখ করা হয়েছে ইডির রিপোর্টে। কিন্তু তার সঙ্গে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির যোগ কোথায়? মোট প্রায় ৫০ কোটি টাকা কিছু গহনা সহ উদ্ধার হয়েছিল অর্পিতার ফ্ল্যাট থেকে। টাকা উদ্ধার হয়েছে অর্পিতার ফ্ল্যাট থেকে। কিন্তু সেটা আমার মক্কেলের কে বলল? প্রমান কোথায়? ইডি প্রমান করতে পেরেছে?’
পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের কা সম্পর্ক বিচারপতি জানতে চাইলে, আইনজীবী জানান, ‘কাকা। তিনি বলেন, ‘কিছু লাইফ ইনসিয়োরেন্স পলিসি উদ্ধার হয়েছিল, ব্যাবসায়ীক কারণে যেগুলি করা। আর অর্পিতার সঙ্গে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের যোগাযোগ ছিল মানেই যে টাকা উদ্ধার হয়েছে তা পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের? প্রমান কোথায়?’
পার্থর হয়ে সওয়াল করতে গিয়ে আইনজীবী বলেন, ‘২০১২ সালে দুটি সম্পত্তি কেনা হয় অপার নামে, আমার মক্কেল পার্টনার ছিলেন। ৩৯ টি এলআইসি পলিসিতে আমার মক্কেল নমিনি। এছাড়া রাজ্য সরকারের একটা ডাইরি যেখানে অর্পিতার সঙ্গে আমার মক্কেলের যোগ রয়েছে, সেটা উল্লেখ করা হয়েছে। কিন্তু তা দিয়ে আমার মক্কেলের দোষ প্রমাণ করা যায় কি? অর্পিতার সঙ্গে যোগ দেখিয়ে আমার মক্কেলকে দোষী প্রমাণিত করার চেষ্টা হচ্ছে, তাই আমার মক্কেলকে এই মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া উচিত।’ আইনজীবীর দাবি, ‘পার্থ চট্টোপাধ্যায় অনেক মানুষকেই চেনেন, তার মানে এই নয় তাঁদের সব দায় বা দোষ পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের!’
