এদিকে কুণাল ঘোষের সম্পর্কে সংবাদমাধ্যমে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, ‘কুণালবাবুর সঙ্গে আমার হাইকোর্টের চেম্বারে বসে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে, রাজনীতি নিয়ে নয়, সাহিত্য সংস্কৃতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আমার মানুষটিকে ভালো লেগেছে। কুণাল ঘোষ যতই মুখপাত্র হিসেবে আমায় আক্রমণ করে থাকুন না কেন, কুণালবাবুকে আমার মানুষ হিসেবে ভালো লেগেছে। উনি বহুদিন রাজনীতি করেছেন, সাংসদ ছিলেন, আমি কথা বলে যতটুকু বুঝেছি, কুণাল ঘোষকে আমার ভালো লেগেছে।’
প্রসঙ্গত, এর আগে বিভিন্ন সময় বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের উদ্দেশে আক্রমণ শানাতে দেখা গিয়েছে তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষকে। কখনও নাম করে, কখনও নাম না করে, আক্রমণ করেছেন কুণাল। এমনকী সরসারি বিচারপতিকে রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার কথাও বলতে শোনা গিয়েছে কুণালের মুখ থেকে। যদিও এদিন বিচারপতি অবশ্য কুণালকে ‘ভালো লেগেছে’ বলেই মন্তব্য করলেন।
ডব্লুবিসিএস অফিসার হিসেবে কেরিয়ার শুরু করেছিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। তবে দুর্নীতির সঙ্গে আপোস করবেন না বলে, সেই চাকরি ছেড়ে দেন। পরবর্তীতে আইনজীবী হিসেবে প্র্য়াকটিস শুরু করেন এবং শেষে বিচারপতির কাজে যোগদান। তাঁর একের পর এক নির্দেশ বারেবারেই গোটা বাংলাজুড়ে চাঞ্চল্য ফেলে দিয়েছে। আর এার তাঁর ইস্তফার সিদ্ধান্তেও শোরগোল পড়ে গিয়েছে। এখন দেখার শেষ পর্যন্ত কোন দলে যোগ দেন বিচারপতি গঙ্গাপাধ্যায়।
