মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিশ্চিতভাবেই একটু সুস্থ হয়ে নিয়ে প্রচারে অংশগ্রহণ করবেন। তৃণমূল কংগ্রেস শিবিরের তিনিই নেত্রী।
কুণাল ঘোষ
এদিকে এই ঘটনায় কারও নাম না করে কটাক্ষ করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। খেজুরিতে একটি সভা থেকে তিনি বলেন, ‘তৃণমূলের আর বেশি দিন রাজনৈতিক আয়ু নেই, বাজার খুব খারাপ, মাথা ঘুরিয়ে যাচ্ছে, আর ধপ ধপ করে পড়ে যাচ্ছে, মাথা ঘুরছে, লো প্রেসার হচ্ছে, আর ধপ ধপ করে পড়ে যাচ্ছে, পড়া তো শুরু হয়েছে ওপর থেকে। নীচ অবধি পড়া শুরু হয়ে যাবে।’ রাজনৈতিকমহলের একাংশ মনে করছে, এই মন্তব্যের মধ্যে দিয়ে নাম না করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই নিশানা করেছেন তিনি।
শুভেন্দুর মন্তব্যের প্রেক্ষিতে কুণাল ঘোষ বলেন, ‘বয়স কারও থেমে থাকে না, এই বয়সে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যতটা সক্রিয়, যতটা গতীশিল, ক’জন আছেন? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এভারগ্রিন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জনগণের নেত্রী। গণ আন্দোলন ছেকে উঠে আসা নেত্রী। তাঁকে যদি এই ভাবে বলা হয়… শুভেন্দু অধিকারীর ভাই দিব্যেন্দু অধিকারীও গতকাল গিয়েছেন বিজেপিতে। আর বিজেপি পরিবারবাদ নিয়ে কথা বলবে? নরেন্দ্র মোদী, অমিত শাহ, শুভেন্দু অধিকারী, সৌমেন্দু অধিকারী, দিব্যেন্দু অধিকারী, পরিবারবাদ নিয়ে কথা বলবে না? খেজুরির মানুষ এই ধরনের অসভ্যতার জবাব আজ বিকেলে দিয়ে দেবে, আর বাকিটা ভোটের বাক্সে দেবে। আজ বিকেলে খেজুরিতে তৃণমূল কংগ্রেস মিছিল ও সভা করবে।’
