অনুব্রতর দেখানো পথেই আমরা প্রচারের জন্য মানুষের বাড়ি বাড়ি পৌঁছে যাচ্ছি।
আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়
আর তারপরেই দেখা গিয়েছিল জেলা জুড়ে তৃণমূলের ব্যানারে ফিরতে শুরু করেছে অনুব্রত মণ্ডলের ছবি। লোকসভা নির্বাচনের আগে অনুব্রত মণ্ডলের অনুপস্থিতিতে কোন স্ট্র্যাটেজিতে বাজিমাৎ করতে চাইছে তৃণমূল? ভোকাল টনিক থেকে শুরু করে সংগঠন সাজানোয় ‘কেষ্ট টাচ’, কোন সমরনীতি নিচ্ছে জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব? খোঁজ নিল এইসময় ডিজিটাল।
বীরভূম জেলা তৃণমূলের কোর কমিটির সদস্য আশিস বন্দ্য়োপাধ্যায় বলেন, ‘অনুব্রতর দেখানো পথেই আমরা প্রচারের জন্য মানুষের বাড়ি বাড়ি পৌঁছে যাচ্ছি। মানুষ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দেখে তৃণমূলকে ভোট দেন। তাই তাঁর উন্নয়নের কথাও তুলে ধরা হচ্ছে। এছাড়াও যে সমস্ত প্রকল্পগুলি সাধারণ মানুষের জন্য মুখ্যমন্ত্রী চালু করেছেন সেগুলিও সাধারণ মানুষ ঠিকঠাকভাবে পাচ্ছেন কিনা বা যাঁরা পাচ্ছেন না তাঁদের কী ভাবে এর আওতায় আনা যায় সেই প্রসঙ্গে জানানো হচ্ছে। আমাদের প্রার্থী যাঁরা হয়েছেন তাঁরা সবসময় মানুষের পাশে থেকেছেন, আছেন এবং আগামীতেও থাকবে। মূলত এটাই আমাদের আগামীদিনের লোকসভা ভোটে বিপুল মার্জিনে জয় নিয়ে আসার চাবিকাঠি।’তবে ভোকাল টনিকের প্রসঙ্গ আসতেই তিনি বলেন, ‘এই নিয়ে আমি আলাদা করে কোনও মন্তব্য করব না।’
অন্যদিকে, কোর কমিটির আহ্বায়ক বিকাশ রায়চৌধুরী বলেন, ‘অনুব্রত মণ্ডলের একটাই স্ট্র্যাটেজি ছিল তা হল সংগঠনকে মজবুত করা। কেষ্ট সংগঠনকে দারুণ ভাবে সাজিয়ে রেখেছিলেন। আর সেই সাজানো সংগঠন আমাদের জন্য হাতিয়ার। তাঁর পথে চলেই আমরা বিভিন্ন সময় সফল হয়েছি। এবারেও হব। বিপুল ভোটে দুই কেন্দ্রেই জয়ী হব এই বিষয়ে আমরা নিশ্চিত।’
উল্লেখ্য, বোলপুর কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী করেছে অসিত মালকে এবং বীরভূম কেন্দ্রে প্রার্থী শতাব্দী রায়। অন্যদিকে বোলপুরে BJP প্রার্থী পিয়া সাহা। তবে বীরভূমের প্রার্থী এখনও ঘোষণা করা হয়নি।
