বিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসও। তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ জানান, ওই প্রার্থী মাদক কাণ্ডে অপরাধী। তিনি তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, ‘ইনিই কি সেই বিজেপির বারাসতের প্রার্থী? যদি তাই হন, তা হলে তিনি মাদক-কাণ্ডে ঘোষিত অপরাধী। বিজেপি এর ব্যাখ্যা দিক।’ তাঁর দাবির সমর্থনে কুণাল ঘোষ একটি খবরের কাগজের কাটিং ও ২০২১-র বিধানসভা ভোটে মনোনয়নপত্রে স্বপনের উল্লেখ করা, মাদক আইনে মামলা থাকার বিষয়টিও তুলে ধরেন। তবে তৃণমূলের পাশাপাশি, এবার বিজেপি কর্মীদের একাংশ এগিয়ে এলেন প্রার্থীর বিরুদ্ধে।
যদিও, তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বিজেপি প্রার্থী। স্বপন মজুমদার মনে জানান, এই কাজ তৃণমূল কংগ্রেসের,তৃণমূল চক্রান্ত করে এইসব করছে।তৃণমূল কংগ্রেসের পায়ের তলার মাটি সরে গেছে তাই এমন কাজ করছে।
এর আগে তাঁর বিরুদ্ধে বারাসতে পোস্টার পড়তেও দেখা যায়। বারাসতের বিজেপির দলীয় কার্যালয়ের দেওয়ালে এই পোস্টার লক্ষ্য করা যায়। যা নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছিল। পাশাপাশি, অশোকনগর বিড়া রাজীবপুর পঞ্চায়েতের বিজেপি প্রার্থী শ্যামল দাসও নিজের ফেসবুক পেজে এই প্রার্থীর বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন। সব মিলিয়ে এই কেন্দ্রে বিজেপিকে বেশ অস্বস্তির মধ্যেই পড়তে হয়েছে বলে ধারণা রাজনৈতিক মহলে। উল্লেখ্য, এই কেন্দ্র থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে দাঁড়িয়েছেন গতবারের বিজয়ী সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার। তাঁর বিরুদ্ধে এই কেন্দ্রে লড়াইটা যথেষ্ট কঠিন। তার মাঝেই বিজেপি প্রার্থীকে এই ধরনের নানা বিতর্ক চাপ আরও খানিকটা বাড়িয়ে দিল গেরুয়া শিবিরে বলেই মনে করা হচ্ছে।
