তাঁরা অভিযুক্তদের সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থল-সহ একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছে। রাজ্য গোয়েন্দা দপ্তর সূত্রে বলা হয়েছে, বরানগরের বাসিন্দা গোপাল বিশ্বাস নামে এক ব্যবসায়ী গত ১৮ মে স্থানীয় থানায় সাংসদের বিষয়ে মিসিং ডায়েরি করেন। সেই সূত্র ধরে তদন্ত শুরু হয়। এরপর গত ২২ মে বাংলাদেশের শেরেবাংলা নগর থানায় নিহত সংসদ সদস্যের মেয়ে মুমতারিন ফিরদৌস ডরিন একটি অপহরণের মামলা দায়ের করেন।
সেখানে তিনি অভিযোগে লেখেন, ‘গত ৯ মে আমার বাবা আনোয়ারুল আজিম রাত ৮টায় ফ্ল্যাট নং-৮০৪, ৮ম তলা, বিল্ডিং নং-০৫, মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ, সংসদ সদস্য ভবন, থানা- শেরেবাংলা নগর, ডিএমপি, ঢাকা থেকে গ্রামের বাড়ি ঝিনাইদহে যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দেন। পরে গত ১১ মে বিকেল ৪টা ৪৫ মিনিটে আমার সঙ্গে বাবার (মোবাইল নম্বর ০১৭৫৫৩৫০৩৫০)- ভিডিয়ো কলে কথা হয়। তখন বাবার কথাবার্তায় কিছুটা অসংলগ্নতা ছিল।
এরপর বাবার মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করলেও তাঁর ফোন বন্ধ পাই। গত ১৩ মে বাবার ইন্ডিয়ান সিম নম্বর (+৯১৭০৬৩২১৪৫৬৯) থেকে উজির মামার (০১৭১১-২৭২৯১২) হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে একটি মেসেজ আসে। সেখানে লেখা ছিল, ‘আমি হঠাৎ করে দিল্লি যাচ্ছি। আমার সঙ্গে ভিআইপি আছে। অমিত সাহার কাছে যাচ্ছি। আমাকে ফোন করার দরকার নেই। আমি পরে ফোন করে নেব।’
এরপর আরও কয়েকটি মেসেজ আসে। সেগুলো আমার বাবার মোবাইল ফোন ব্যবহার করে অপহরণকারীরা করে থাকতে পারে। পরবর্তীতে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জানতে পারি, অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিরা পূর্ব পরিকল্পিতভাবে পরস্পর যোগসাজশে আমার বাবাকে অপহরণ করেছে।’ এই অভিযোগের ভিত্তিতে বাংলাদেশ পুলিশও একটি অপহরণের মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করে।
