Eco Park,সাতসকালে উদ্ধার অজ্ঞাত পরিচয় দেহ, চোখে মুখে রক্তের দাগ, তদন্তে ইকোপার্ক থানা – unknown body has recovered from eco park police station area


অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তির দেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়াল ইকোপার্ক থানার অন্তর্গত রাম মন্দির এলাকায়। ব্যক্তির নাকে, মুখে ও হাটুতে রক্তের দাগ রয়েছে বলে খবর। দেহ পড়ে থাকার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। দেহটি উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয়। গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।জানা গিয়েছে বৃহস্পতিবার মর্নিং ওয়াক করতে এসে ওই ব্যক্তিকে পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। অনেক ডাকাডাকির পরেও ওই ব্যক্তির কোনওরকম সাড়াশব্দ পাওয়া যায়নি। এরপরেই খবর দেওয়া হয় ইকোপার্ক থানায়। পুলিশ গিয়ে মৃতদেহ উদ্ধার করে। পুলিশ সূত্রে খবর, মৃতদেহের নাক, মুখ ও হাটুতে রক্তের দাগ রয়েছে। যদিও ওই মৃতদেহের পরিচয় এখনও পর্যন্ত জানা যায়নি। ঠিক কী কারণে মৃত্যু, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এই বিষয়ে শুকদেব মণ্ডল নামে এক ব্যক্তি বলেন, ‘সকালে এসে দেখি ৪-৫ জন এখানে জড়ো হয়ে রয়েছেন। আমি গিয়ে দেখি একজন পড়ে রয়েছেন। দেখে মনে হচ্ছিল মারা গিয়েছেন। সঙ্গে সঙ্গে আমাদের ক্লাবের সম্পাদক ও কিছু সদস্যকে ফোন করি। খবর পেয়ে তাঁরাও আসেন। তারপর থানাতেও ফোন করা হয়।’ ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। কেউ বা কারা ওই ব্যক্তিকে অন্যত্র খুন করে নির্জন জায়গা দেখে এখানে দেহ ফেলে গিয়েছে কি না, সেই দিকটিও খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা। একইসঙ্গে ওই ব্যক্তির পরিচয়ও জানার চেষ্টা করা হচ্ছে। এদিকে এই ঘটনার জেরে স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রাতঃভ্রমণকারীদের মধ্যেও ছড়িয়েছে চাঞ্চল্য।

উল্লেখ্য, কয়েক মাস আগে নিউটাউনে কারিগরি ভবনের পিছনে একটি জলাশয় থেকে উদ্ধার হয় ট্রলিবন্দি দেহ। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নিয়ে যাওয়া হয় আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হসপাতালে। কারিগরি ভবনের ঠিক পিছনেই রয়েছে ওই জলাশয়। জঙ্গল সাফাইয়ের কাজে ওই জায়গায় গিয়ে ট্রলি ব্যাগটি দেখতে পান সাফাইকর্মীরা। তাঁরা ট্রলি ব্যাগটি তুলে নিয়ে আসেন। সেই সময় ওই ব্যাগ থেকে চুঁইয়ে চুঁইয়ে রক্ত পড়ছিল। এরপর তাঁরাই ১০০ নম্বরে ফোন করেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় টেকনোসিটি থানার পুলিশ। ট্রলি ব্যাগের তালা ভাঙার পর তার মধ্যে থেকে প্রায় বছর পঞ্চাশের এক ব্যক্তির রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয়। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করেও ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *