Violence Against Women,স্বামীর পরলৌকিক ক্রিয়া মিটতেই ডাইনি অপবাদে মহিলাকে মারধরের অভিযোগ, পুলিশের দ্বারস্থ পরিবার – lady allegedly beaten by his husband family members at siliguri


ডাইনি অপবাদ দিয়ে এক গৃহবধূকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠল শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে শিলিগুড়ি মহকুমার ফাঁসিদেওয়ার পেটকির জজটলা এলাকার। ঘটনায় ইতিমধ্যেই ৪ জনের নামে ফাঁসিদেওয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। যদিও কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি।জানা গিয়েছে, ওই মহিলার স্বামী চুন্ডা সরেন আগেই মারা গিয়েছেন। অভিযোগ, স্বামীর পরলৌকিক ক্রিয়া শেষ হতেই গত ২৬ জুন ডাইনি অপবাদ দিয়ে বাচামণিকে ডাইনি অপবাদ দিয়ে বেধড়ক মারধর করে শ্বশুরবাড়ির লোকজন। পরে গৃহবধূকে গাড়িতে তুলে তাঁর ভাইয়ের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে গৃহবধূকে ফেলে দিয়ে চলে আসে শ্বশুরবাড়ির লোকেরা। মহিলা মদ্যপ অবস্থায় রয়েছে বলে সেই সময় তাঁর ভাইকে জানায় শ্বশুরবাড়ির লোকজন।

এরপর ২ দিন ধরে জ্ঞান ফেরেনি মহিলার। সেই সময় মহিলার শরীরে আঘাত দেখে চমকে ওঠেন পরিবারের সদস্যরা। এমনকী শরীরে ছুরি দিয়ে আঘাত করা হয় বলেও অভিযোগ। সেই আঘাতের চিহ্ন দেখেই উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করা হয় জখম মহিলাকে। এই ঘটনায় মহিলার ভাই ফাঁসিদেওয়া থানায় লিখিত অভিযোগে দায়ের করেন। জানা গিয়েছে, এর আগেও ওই মহিলাকে ডাইনি অপবাদে মারধর করা হয়েছিল। গোটা ঘটনায় ৪ জনের নামে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের হলেও এখন পর্যন্ত কেউ গ্রেফতার হয়নি বলে জানা গিয়েছে। দোষীদের কড়া শাস্তির দাবি জানিয়েছেন মহিলার ভাই সহ পরিবারের সদস্যরা। যদিও সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে মহিলার ভাসুর মঙ্গল সরনে। তাঁর দাবি এমন কোনও ঘটনা ঘটেইনি। মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে বলে পালটা দাবি তাঁর।

উল্লেখ্য অতীতেও এই ধরনের একাধিক ঘটনা ঘটেছে। গতবছর সেপ্টেম্বর মাসে ২০২৩ সালে উত্তরবঙ্গের বালুরঘাটে এক আদিবাসী মহিলাকে ডাইনি অপবাদ দিয়ে মারধরের অভিযোগ ওঠে প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে। জানা যায়, ওই ঘটনার কয়েক মাস আগে গ্রামের এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়। তারপর থেকেই ওই মহিলাকে ডাইনি অপবাদ দিয়ে লাগাতার হুমকি দিতে থাকে প্রতিবেশী রাম বাস্কে। ওই মহিলার ঘর পুড়িয়ে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়। আর সেই সমস্ত ঘটনার মাঝেই একদিন ওই মহিলা ছাগল চড়াতে গেলে তাঁকে ঘিরে ঘরে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। মা-কে বাঁচাতে গিয়ে আক্রান্ত হয় ওই মহিলার নাবালক ছেলেও। আর এবার ফের একবার ঘটে গেল সেই ঘটনা।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You missed