এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সকলকে রথযাত্রার শুভেচ্ছা জানান। তিনি বলেন, ‘বাংলায় আমরা সমস্ত ধর্মীয় উৎসব পালন করি। বাংলার অর্ধেক মানুষ জগন্নাথ দর্শন করছেন বিভিন্ন জায়গায়। আগামী বছর দিঘাতে পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের আদলে যে মন্দির তৈরি হয়েছে সেখানে রথযাত্রা পালন হবে। সেই মন্দিরের কাজ প্রায় হয়ে গিয়েছে। কিছু কিছু কাজ বাকি রয়েছে। মন্দির উদ্বোধনের দিন সকলে আসবেন। আজকের দিন অত্যন্ত শুভ। সকলকে রথযাত্রার শুভেচ্ছা।’ মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায় প্রতি বছর ইসকনের রথযাত্রায় অংশ নেন। এই বছর বৃষ্টির দিনেও তার ব্যতিক্রম হল না।
এদিন পুজোর পর ইসকনের রথের সামনে পুজো করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপর রথের রশি টানেন তিনি। রবিবার অ্যালবার্ট রোডের ইসকন মন্দির থেকে দুপুর ২টো নাগাদ রথযাত্রা শুরু। এরপর হাঙ্গারফোর্ড স্ট্রিট, এজেসি বোস রোড, শরৎ বোস রোড, হাজরা রোড, এসপি মুখার্জি রোড, আশুতোষ মুখার্জি রোড, চৌরঙ্গী রোড, এক্সাইড ক্রসিং, জেএল নেহেরু রোড, আউটট্রাম রোড, সোজা ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে যাবে রথ।
ইসকনের রথের একাধিক বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল ভগবান বলরামের রথ সবথেকে লম্বা হয়ে থাকে, যা হল ৩৮ ফুট উঁচু, ১৮ ফুট চওড়া এবং ৩৬ ফুট লম্বা। ইসকন গত ৪০ বছর ধরে এই রথ ব্যবহার করছে। রথে সংকোচনযোগ্য চাঁদোয়া থাকায় সহজেই তা এগিয়ে যায়।
এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্ট শেয়ার করেন। সেখানে তিনি লেখেন, ‘সকলকে জানাই রথযাত্রার আন্তরিক প্রীতি ও শুভেচ্ছা। প্রার্থনা করি, প্রভু জগন্নাথের কৃপায় এই শুভদিন সকলের জন্য হয়ে উঠুক মঙ্গলময়। আজ সারা বাংলা জুড়ে লক্ষ লক্ষ মানুষ এই উৎসবে যোগ দেবেন। ঐতিহাসিক মাহেশে আমরা মন্দিরের ঐতিহ্যসম্মত পুনর্নির্মাণ করেছি, কলকাতায় ইসকনের রথযাত্রায় আমি যোগ দেবো, আগামীবছর এর সঙ্গে যুক্ত হবে দিঘার বিশাল রথযাত্রা! জয় জগন্নাথ!’
