এদিকে, দিঘায় পুরনো জগন্নাথ মন্দির অর্থাৎ নতুন মন্দিরের মাসির বাড়িতে রীতি মেনে পুজো হচ্ছে এবার। দিঘা পূর্ণ জগন্নাথ মন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদক বসন্ত কুমার জানা জানিয়েছেন, রথের দিন থেকেই এই মন্দিরে নাম সংকীর্তনের আয়োজন করা হয়েছে। প্রভু জগন্নাথ দেবের পুজো পাঠ, প্রসাদ বিতরণের আয়োজন করা হয়েছে।
তবে, এবারেই নির্ধারিত হয়েছিল নবনির্মিত জগন্নাথ মন্দিরের রথযাত্রার আয়োজন করা হলে পূর্ণ জগন্নাথ মন্দিরকেই মাসির বাড়ি বানানো হবে। পুরনো জগন্নাথ মন্দির মাসির বাড়ি হলে পর্যটক মানচিত্রে দিঘা এক অন্য রূপ ধারণ করবে বলেই মনে করছেন অনেকে। এবার সেই প্রস্তুতি কিছুটা সেরেও রাখা হয়েছিল। তবে, শেষ মুহূর্তে নতুন মন্দিরের রথযাত্রা বাতিল করা হলেও পুরনো মন্দিরে মহা সমারোহে জগন্নাথ দেবের পুজোর আয়োজন করা হয়েছে।
জেলা প্রশাসন সূত্রে খবর, দিঘায় জগন্নাথ মন্দির নির্মাণের কাজ এখনও সম্পূর্ণ রূপে শেষ হয়নি। তবে, রাজস্থানের বংশী পাহাড়পুর থেকে জগন্নাথ, বলরাম ও শুভদ্রার মূর্তি নিয়ে আসা হয়েছে ইতিমধ্যেই। সেগুলির মোড়ক এখনও খোলা হয়নি। মন্দিরের অন্দরসজ্জার কাজ শেষ হওয়ার পরেই মূর্তিগুলি উন্মোচন করা হবে বলেই জানতে পারা গিয়েছে।
পাশাপাশি, রথ নির্মাণের কাজও এবার অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছে। একটি গাঢ় সবুজ, একটিতে কমলা আর অন্যটিতে হলুদ রঙের প্রলেপ দিয়ে তিনটি রথ তৈরি করা হয়েছে। প্রতিটি রথের উচ্চতা প্রায় ১৫ ফুট। তবে বেশ কিছু কাজ অসম্পূর্ণ থাকায় এবার নতুন মন্দিরের রথযাত্রা অনুষ্ঠান না করে আগামী বছরেই এই উৎসব পালনের কথা জানানো হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘দিঘায় রথযাত্রা পূর্ণ শ্রদ্ধা ও গাম্ভীর্যের সঙ্গে পালন করা হবে। এই উৎসবে সকলেই আমন্ত্রিত হবেন। ভারতের আরও একটি সৌহার্দ্যপূর্ণ স্থান দিঘা প্রভুর আবাসস্থল হিসেবে আবির্ভূত হবে।’
