একটা সময় নলডুগারি এফপি স্কুলের ৩০,৩১ ও ৩২ নম্বর বুথে বিজেপির ঝান্ডা বেঁধে টোটো করে ভোটারদের নিয়ে আসার অভিযোগ ওঠে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। এরপরই তৎপর হতে দেখা যায় তৃণমূল প্রার্থী সহ কর্মী ও সমর্থকদের। নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ জানান হয়। তারপরই টোটো থেকে ঝান্ডা খুলে দিতে দেখা যায়। এককথায় বলতে গেলে এভাবেই বাগদা বিধানসভার এপ্রান্ত থেকে ওপ্রান্ত কখনও সশরীরে, কখনও আবার ফোনে নির্দেশ দিয়ে ভোট পরিচালনা করলেন মধুপর্ণা।
দিনভর ছোটাছুটির পরেও ক্লান্তির লেশমাত্র দেখা যায়নি মধুপর্ণার চোখেমুখে। বরং এদিনও জয়ের বিষয়ে একইরকম আত্মবিশ্বাসী দেখিয়েছে তাঁকে। এই সময় ডিজিটালকে এদিন মধুপর্ণা বলেন, ‘প্রথমদিন থেকেই বলছি, জয়ের আবির এবার আমরাই খেলব। বুথে বুথে দেখেছি। সব জায়গাতেই ইতিবাচক সাড়া, যা হচ্ছে ভালোই হবে।’ এই উপনির্বাচনে বাগদায় বিজেপির কোনও স্থান নেই বলেই মনে করেন তৃণমূল প্রার্থী। উল্লেখ্য, লোকসভা নির্বাচনের আগেই দেশে লাগু হয়েছে সিএএ। আর সিএএ লাগু হওয়ার পরেই মতুয়া অধ্যুষিত বনগাঁ লোকসভা কেন্দ্রে ভোটারদের একটা অংশের মধ্যে বেশ উচ্ছ্বাস দেখা দেয়। এমনকী এবারের লোকসভা নির্বাচনে বনগাঁ কেন্দ্রে বিজেপির জয়ের নেপথ্যেও সিএএ-র একটা ভূমিকা থাকতে পারে বলে অনুমান রাজনৈতিকমহলের একাংশের। সেক্ষেত্রে এখন দেখার বনগাঁ লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত এই বাগদা বিধানসভায় কাকে আশীর্বাদ দেন ভোটাররা।
